khabor online most powerful bengali news

সুন্দরবনে বাঘ আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাসন্তীর সোসাইটি

পাপিয়া মিত্র: এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপ, বাদাবনের ফিসফাস ‘বড়ো মিঞা’, ‘বড়ো শিয়াল’, কখনও বা দক্ষিণ রায়। অসংখ্য দ্বীপ আর খাঁড়িতে ভরা সুন্দরবনে মানুষবসতি আর ‘তার’ রাজ্যপাট পাশাপাশি। তাই এক একটা বসতি শুধুই হাহাকারে পূর্ণ। মনে করা যাক ২০১৪ সাল। বাসন্তী হাইস্কুলের এক শিক্ষক গোসাবা বালি দ্বীপের এক স্কুলে গিয়েছিলেন। স্কুলের পাশেই একটি গ্রামে তখন হুলস্থুল অবস্থা। পরিবারের প্রধানকে নিয়ে গিয়েছে বাঘে, ঘন ঘন মুর্চ্ছা যাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী। ছোটো ছোটো তিন ছেলেমেয়ের আর্তনাদ আজও ভুলতে পারেননি শিক্ষক অমল নায়েক। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন ওখানেই রয়েছে ৫০টি পরিবার যাদের কর্তারা মধু-কাঁকড়া-মাছের খোঁজে বাদায় গিয়ে আর ফিরে আসেননি। আর এর চেয়েও বেশি…

আরও পড়ুন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সুন্দরবন রক্ষার দায়

সুন্দরবন বাঁচাতে রামপাল প্রকল্প বাতিলের দাবিতে বাংলাদেশের রাজপথে চলছে মিটিং-মিছিল-সমাবেশ। চিত্রগ্রাহক: ব্র্যাত্য আমিন মওদুদ রহমান : প্রকৃতির অনন্য দান সুন্দরবনের বিশালতা ছড়িয়েছে বাংলাদেশ আর ভারত, দু’প্রান্তেই। হাজার বছরের সাক্ষী এই মহাবনের বর্ণনা আমরা পাই চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর দিনলিপিতে। আবার এ বনের কথা উঠে এসেছে রামায়ণ-মহাভারত আর পুরাণে। সুন্দরবন এই অঞ্চলের ৫ লক্ষাধিক মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র আশ্রয় আর প্রকৃতির বিরূপ পরিস্থিতির এই কালে যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলের কোটি মানুষের প্রাণরক্ষার একমাত্র সহায়। অথচ জিডিপিমুখী উন্নয়নের এই সময়ে সুন্দরবনকেও ওঠানো হয়েছে বেচা-কেনার নিলামে। সুন্দরবন থেকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ অংশে হতে যাচ্ছে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রামপাল কয়লাভিত্তিক…

আরও পড়ুন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস

বাংলাদেশের রামপালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোলা চিঠি দিল তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর জাতীয় কমিটি। বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনে এই চিঠি পৌঁছে দিতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে কমিটি। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ছোড়ে। ঘটনায় প্রায় ১৫ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ভাবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরি করবে। বাধার মুখে ভারতীয় হাইকমিশনে চিঠি দিতে না পারলেও পরে জাতীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল চিঠি দিয়ে আসে। জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামী ২০ অক্টোবর ঢাকা সহ সারা দেশে জুড়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে দেশ বিক্ষোভ কর্মমূচী পালিত হবে।  

আরও পড়ুন

রামপালে দ্বিতীয় পর্যায় তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল

রামপালে দ্বিতীয় পর্যায়ে কোনও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করবে না বাংলাদেশ সরকার। কয়লা বাদে অন্য কোনও উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় কিনা তা যাচাই করে দেখা চলছে বলে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন। গত আগস্ট মাসে বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া ইউনেসকোর ৩০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম পর্যায়ের জন্য যে পরিমাণ জল উত্তোলন করা হবে তা পরিবেশের ক্ষতি করবে। সরকার যদি দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করে তবে বিপদ আরও বাড়বে। এই আশঙ্কা প্রকাশ করে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের সুপারিশ করে ইউনেসকো। এর জবাবে ২৯ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ ও…

আরও পড়ুন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে ঢাকায় অবস্থান

রামপাল বিদ্যুৎপ্রকল্প বন্ধের দাবি তুলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান শুরু করলেন বাংলাদেশের একাধিক বাম ও গণ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শনিবার বেলা সওয়া ১১টা নাগাদ এই অবস্থান কর্মসূচির সূচনা করেন তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। অবস্থানের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, “এই সংগ্রাম বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির বিরুদ্ধে নয়, সুন্দরবন রক্ষার জন্য।” লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, “এটা জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।” এই প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বাঁ পাশে একটি মুক্ত ক্যানভাসও রাখা হয়েছে। তথ্য: প্রথম আলো

আরও পড়ুন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঝুঁকি বিবেচনা করবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবন লাগোয়া প্রস্তাবিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের যদি পরিবেশগত ঝুঁকি থাকে তবে তা বিবেচনা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে বিতর্ক চলছে। পরিবেশকর্মীরা দাবি করছেন, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি হলে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও বেশ কয়েকটি বিজ্ঞান ও পরিবেশ সংগঠন এই বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির বিরোধিতা করেছে। বাংলাদেশের বণিকসভার একটি অনুষ্ঠানে নিজেকে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির প্রস্তাবের এক জন সমর্থক বলে উল্লেখ করে মসিউর রহমান বলেন, “আমি সেখানে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জোরদার সমর্থক ছিলাম। তার মানে এই নয় যে পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ থাকলে তা একেবারেই বিবেচনা করা হবে না।” অন্য…

আরও পড়ুন