khabor online most powerful bengali news

সংখ্যাগুরুর হিংসার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শাইলকের ‘সওদা’

মধুমন্তী চট্টোপাধ্যায় নাটকটির রচনাকাল পঞ্চদশ শতকের শেষ ভাগ। চারশো বছর পার করেও মার্চেন্ট অব ভেনিস একই রকম প্রাসঙ্গিক, আরও একবার প্রমাণ করল বেহালা ব্রাত্যজনের প্রযোজনা ‘সওদা’। শেক্সপিয়রের শাইলক চরিত্রটিকে শুধু খলনায়ক হিসেবে না দেখিয়ে অন্যরকম ভাবনার শুরু হয়েছিল ২০০ বছর আগে। সে সময় অভিনেতা এডমন্ড কিন অভিনয় করতেন শাইলকের চরিত্রে। এডমন্ডের যোগ্য উত্তরসূরিকেই পেয়েছে ‘সওদা’। দেবশঙ্কর হালদার। শাইলক এখানে সালেখ আলি মহম্মদ। অ্যান্তনিয় -অনন্ত, পরশিয়া- মিস প্রিয়া। অ্যান্তনিয়র ঘনিষ্ঠ ব্যাসানিয় এখানে বসন্ত। রোমান্স, সাসপেন্স, প্রেম, বিদ্বেষ থেকে শুরু করে চিট ফান্ড, রিয়ালিটি শো! কী নেই? আর সব কিছু রাখতে গিয়ে খেই হারিয়েছে কোথাও কোথাও। সংখ্যালঘুরা সব সমাজেই যুগে যুগে ব্রাত্য…

আরও পড়ুন

ভালোবাসি, ভালো থেকো, ভালো রেখো…

পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায়: প্রেম, বসন্ত এবং মনের কথার বা অভিব্যক্তির প্রথম প্রকাশ বিদর্ভরাজ ভীষ্মকের একমাত্র কন্যা রাজকুমারী রুক্মিণীর একটি চিঠিতে। অপরূপা রুক্মিণী মনপ্রাণ সঁপে দিয়েছিলেন দ্বারকাপতি শ্রীকৃষ্ণকে। কিন্তু রুক্মিণীর বিয়ে ঠিক হয়েছে চেদিরাজ শিশুপালের সঙ্গে। ঠিক করেছেন রুক্মিণীর বড়ো ভাই রুক্মী কুমার। রুক্মিণী তাঁর না- দেখা, শুধু কানে শোনা নানা কাহিনির নায়ক শ্রীকৃষ্ণকে একটি চিঠি লিখলেন এবং সুনন্দ নামে এক বিশ্বস্ত দূতের মাধ্যমে তা পাঠালেন শ্রীকৃষ্ণের কাছে। সেই চিঠিতে রুক্মিণীহরণের যাবতীয় কলাকৌশল স্বয়ং রুক্মিণীই বলে দেন শ্রীকৃষ্ণকে এবং বিনা রক্তপাতে বড়ো ভাই বলরামকে সঙ্গে নিয়ে রুক্মিণী হরণ করে দ্বারকায় নিয়ে আসেন শ্রীকৃষ্ণ। তার পর যদিদং হৃদয়ং তব….। কালটা ছিল এই বসন্তঋতু।…

আরও পড়ুন

অথৈ – শেক্সপিয়ার আশ্রিত বিনোদন ও প্রতিবাদ

সুমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় ধ্রুপদী সংস্কৃতির সঙ্গে জনপ্রিয়তার আত্মীয়তা বা সেতুবন্ধন খুব কম দেখা যায়। ডোভার লেন সঙ্গীত সম্মেলনের সঙ্গে ইন্ডোরের জলসার চরিত্রগত পার্থক্যই বলে দেয় প্রাণের উচ্ছ্বাস আর বুদ্ধির খোরাক একই বিনোদনে পাওয়া খুব কঠিন। প্রায় বিরল। শেক্সপিয়ার বা চ্যাপলিনের মতো কালজয়ী প্রতিভারাই পারেন এই অসাধ্য সাধন করতে। বেশ কিছু দিন ধরেই বাংলা নাটকে শেক্সপিয়ারের ঢল নেমেছে। ছোটো-বড়ো-মাঝারি দল সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন অনুবাদ অথবা রূপান্তরের আশ্রয়ে শেক্সপিয়ারের ধ্রুপদিয়ানাকে জনপ্রিয়তার অঙ্গনে নিয়ে আসতে। নটধা নাট্যদল এই কাজে একশোয় দু’শো শতাংশ সফল হয়েছেন অথৈ নাটকে ‘ওথেলো’-র বঙ্গায়নে। নির্দেশনা, রূপান্তর ও অভিনয়ে অর্ণ মুখোপাধ্যায় প্রমাণ করেছেন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বা তরুণ প্রজন্মকে এখন শুধু শাহরুখ…

আরও পড়ুন

ব্যাকড্রপে জলরাশি, রাজারহাটের গল্প বন্দরের গাছে ওঠালেন সৃজিত

প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী দু-একটা খুন করে, গালে কাকা জুলফিকারের মতো চাপ দাড়ি লাগিয়ে আর নুসরতের সঙ্গে শুয়ে হঠাৎ ‘অ্যাডাল্ট’ হয়ে যাওয়া অঙ্কুশ কি পারবেন ওই বিশাল রাজ্যপাট সামলাতে ? হাতে তো শুধু রোগা-পাতলা কাঞ্চন। টলিউডের প্রথম গ্যাংওয়ার মুভি দেখে, মাঝেমধ্যে হাততালি দিয়ে হল থেকে বেরিয়ে আসার সময় খানিক চিন্তায় পড়ে যান বাঙালি দর্শক। নেহাতই পথে তখন পুজো হপিং-এর ভিড় আর কানে মণ্ডপ থেকে ভেসে আসা ভদ্রলোকের সাংস্কৃতিক সানাই, তাই চিন্তাটা জায়গা করতে পারে না। টিকিটের দাম তো মোটের ওপর উসুল, শুধু যদি কোনও এক ‘ঝিঙ্কু মামনি’-র শরীরি বিভঙ্গে একটা ‘বিল্লো রানি’ বা ‘বিড়ি জালাইলে’ থাকতো,  বাঙালির কোনও আফশোস থাকতো না ২০১৬…

আরও পড়ুন

হেমন্ত এসে গেল কিন্তু মন ভরলো না

পৃথা তা সব রাস্তা গিয়ে মেশে রোমে । সিনেমা এবং বিশেষত নাটকের ক্ষেত্রে এই কথাটা বার বার বলা চলে । এবার সেই সাবেকি রাস্তায় হাঁটলেন অঞ্জন দত্ত । হ্যামলেটের আদলে হল হেমন্ত । এখনও শেক্সপিয়ারকে নিয়ে কাজ করতে গেলে একটা বড় চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হয়।  অঞ্জন কেমন বুনলেন তাঁর হ্যামলেট ? গল্পটি একটি চলচ্চিত্রের সাথে জড়িয়ে থাকা পরিবারকে নিয়ে । সেই পরিবারের ছেলে হেমন্ত (হ্যামলেট ওরফে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়) নিউইয়র্ক পাড়ি দেয় চলচ্চিত্র পরিচালনা শিখতে । তার সাথে ছবিতে সারাক্ষণ সাযুজ্য রেখে সঙ্গত করে গেলেন তার বন্ধু হীরক (হোরাশিও ওরফে যিশু সেনগুপ্ত)। স্ক্রিনে এদের তালমিল , দ্বন্দ দেখতে বেশ ভালোই লাগে…

আরও পড়ুন

হ্যামলেট এ বার বাংলায়, মুক্তি পেল ‘হেমন্ত’-র ট্রেলর

বছর দেড়েক আগেই শেক্সপিয়রের হ্যামলেট-কে কাশ্মীরে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশাল ভরদ্বাজ।  দর্শক পেয়েছিলেন হায়দার-কে। এ বার বাংলায় ‘হেমন্ত’-কে নিয়ে আসছেন অঞ্জন দত্ত। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র অর্থাৎ হেমন্ত-র ভূমিকায় অভিনয় করছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়’। নিউ ইয়র্কের ফিল্ম স্কুল থেকে পাশ করে কলকাতায় ফেরে হেমন্ত। কলকাতায় ফিরেই জানতে পারে তাঁর বাবা যিনি বিখ্যাত অগ্রদূত ফিল্ম প্রোডাকশন কোম্পানির মালিক, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। আর তাঁর মা প্রখ্যাত অভিনেত্রী গায়ত্রী দেবী দ্বিতীয় বার বিয়ে করতে চলেছেন সম্পর্কে দেওর কল্যাণকে। যিনি অগ্রদূত ফিল্ম প্রোডাকশন কোম্পানির বর্তমান ট্রাস্টি। বাবার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে শুরু করে হেমন্ত। সাহায্য নেয় কাছের বন্ধু হীরক এবং অলিপ্রিয়ার। কিন্তু সেই মৃত্যু কি সত্যিই আত্মহত্যা…

আরও পড়ুন