khabor online most powerful bengali news

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভে কাঁদানে গ্যাস

বাংলাদেশের রামপালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোলা চিঠি দিল তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর জাতীয় কমিটি। বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনে এই চিঠি পৌঁছে দিতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে কমিটি। মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ছোড়ে। ঘটনায় প্রায় ১৫ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ভাবে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরি করবে। বাধার মুখে ভারতীয় হাইকমিশনে চিঠি দিতে না পারলেও পরে জাতীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল চিঠি দিয়ে আসে। জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামী ২০ অক্টোবর ঢাকা সহ সারা দেশে জুড়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের দাবিতে দেশ বিক্ষোভ কর্মমূচী পালিত হবে।  

আরও পড়ুন

রামপালে দ্বিতীয় পর্যায় তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল

রামপালে দ্বিতীয় পর্যায়ে কোনও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করবে না বাংলাদেশ সরকার। কয়লা বাদে অন্য কোনও উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় কিনা তা যাচাই করে দেখা চলছে বলে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন। গত আগস্ট মাসে বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া ইউনেসকোর ৩০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম পর্যায়ের জন্য যে পরিমাণ জল উত্তোলন করা হবে তা পরিবেশের ক্ষতি করবে। সরকার যদি দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও একটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করে তবে বিপদ আরও বাড়বে। এই আশঙ্কা প্রকাশ করে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিলের সুপারিশ করে ইউনেসকো। এর জবাবে ২৯ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ ও…

আরও পড়ুন

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছেই : শেখ হাসিনা

সুন্দরবনের ক্ষতি না করেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে। শনিবার ঢাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাফ জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকার গণভবনের সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হবে অত্যাধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রটিক্যাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যে কোনও ধরনের দূষণ এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক ভাবে গভীর বনভূমির দশ কিলোমিটারের মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ না করার আইন আছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি তৈরি হচ্ছে সুন্দরবনের প্রান্ত থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে। এই প্রসঙ্গে তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া এবং যে সংগঠনগুলি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে বিরোধিতা করছে, সাংবাদিক সম্মেলনে…

আরও পড়ুন

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে ঢাকায় অবস্থান

রামপাল বিদ্যুৎপ্রকল্প বন্ধের দাবি তুলে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান শুরু করলেন বাংলাদেশের একাধিক বাম ও গণ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। শনিবার বেলা সওয়া ১১টা নাগাদ এই অবস্থান কর্মসূচির সূচনা করেন তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। অবস্থানের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, “এই সংগ্রাম বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির বিরুদ্ধে নয়, সুন্দরবন রক্ষার জন্য।” লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, “এটা জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।” এই প্রস্তাবিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার জন্য কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বাঁ পাশে একটি মুক্ত ক্যানভাসও রাখা হয়েছে। তথ্য: প্রথম আলো

আরও পড়ুন