khabor online most powerful bengali news

হিমেল মাদকতায় রাস উৎসবে ভক্তের ঢল

পাপিয়া মিত্র ভজনকুটিরে নিকোনো উঠোনে ঝাঁপিয়ে পড়ছে জ্যোৎস্না। এ জ্যোৎস্না কার্তিকপূর্ণিমার, এ জ্যোৎস্না বড় প্রিয় বৈষ্ণবদের। উঠোনে স্নিগ্ধ আলপনা। ঈশান কোণে টাঙানো চাঁদোয়া, এক দিকে মঞ্জরিভরা তুলসীগাছ। বড়ো মায়াময় এ ছবি। তার থেকেও বড়ো প্রেমময় চাঁদোয়ার নীচে রাধাকৃষ্ণের যুগল বিগ্রহ। এ রাতেই বৈষ্ণবদের প্রাণের রাস উৎসব উদ্‌যাপিত হয়। বৃন্দাবনে কার্তিকজ্যোৎস্নায় শ্রীকৃষ্ণ গোপিনীদের সঙ্গে নৃত্যগীতে মাততেন। সব গোপিনীরা নিজের সঙ্গি হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকে দেখতে পেতেন। শ্রীকৃষ্ণের এই লীলাই রাসলীলা। রাধাকৃষ্ণের যুগল বিগ্রহের চারদিকে সাজানো অষ্টসখীর মূর্তি। জমকালো পোশাকে সুসজ্জিত। সামনে ফরাস পাতা। তাতে সাজানো মৃদঙ্গ, মন্দিরা, হারমোনিয়াম, করতাল এবং আড়বাঁশি। সুগন্ধী ধূপ, আতর এবং ফুলের গন্ধে ম ম চারদিক। সন্ধ্যারতি শেষ, তিলক…

আরও পড়ুন

ঝুলন থেকে রাখি, রাখি থেকে রবীন্দ্রনাথ

পাপিয়া মিত্র সদর দরজাতে সাদা কাগজে আলতা দিয়ে লেখা ‘ঝুলন দেখে যান’, ‘পয়সা দিয়ে যান’– ইত্যাদি স্লোগান।  দেখে তো ঠাকুরদার চোখ কপালে। এ কী ছেলেখেলা? ঠাকুমা গলা উঁচিয়ে পাল্টা দেন, খেলাই তো! তোমাদের কেষ্ট যদি… ময়দানে নামেন মা। মানে মধ্যস্থতা। ঠাকুরদা-ঠাকুমা দ্বৈরথ থামে। মায়ের সংসারে টান পড়ত। কড়াইয়ের চার ধারে মাটি দিয়ে পুকুর বানানো হত। তাতে ভাসিয়ে দেওয়া হত মাজনে পাওয়া হাঁস। তুলসীতলার মাটিতে ঠাকুরদার পুরনো ধুতির টুকরো মাখিয়ে উল্টো আনাজের ঝুড়িতে ফেলে পাহাড় তৈরি করা হত। দোলের মেলা থেকে নানা পুতুল কেনা হত। সেই সৈন্য,  দইওলা, ধানঝাড়ায় ব্যস্ত কৃষককৃষানি, পুকুরে জল আনতে যাওয়া বউ, ইত্যাদি দিয়ে সাদৃশ্যহীন এক মঞ্চ…

আরও পড়ুন