khabor online most powerful bengali news

রকেট গার্লস: নাসা-র ভুলে যাওয়া মহিলা বিজ্ঞানীদের কথা

শক্তি চৌধুরী আচ্ছা আপনারা নীল আর্মস্ট্রং-এর নাম শুনেছেন? আর রাকেশ শর্মা ? আরে ঠিক আছে….. ঠিক আছে…. আর হাত তুলতে হবে না। আমি বুঝতে পেরেছি, তাদের জীবনী বৃত্তান্ত আপনাদের মুখস্থ। বেশ তা হলে বলুন দেখি, ক্যাথেরিন জনসন, ভদ্রমহিলা কে ছিলেন? ওমা একি হাতগুলো সব কোথায় গেল? সব্বাই চুপ কেন? শুনুন তবে এই ক্যাথেরিন জনসনই নাসার প্রথম চন্দ্র অভিযানের আগে চাঁদের কক্ষপথ নিয়ে সমস্ত হিসাবনিকাশ করার মূল দায়িত্বে ছিলেন। যে হিসাবগুলির নিরিখেই পরবর্তী কালে আমেরিকার প্রথম চন্দ্র অভিযান বা পৃথিবীর মহাকাশ গবেষণার প্রথম ধাপ। না, আমি শুধু ক্যাথরিন জনসনকে নিয়ে কথা বলতে  আসিনি। সদ্য চলে যাওয়া নারী দিবসের মঞ্চের সেই অন্ধকার…

আরও পড়ুন

ভারতের হারিয়ে যাওয়া চন্দ্রযানের খোঁজ পেল নাসা

ক্যালিফোর্নিয়া: ২০০৮ সালে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে নিজেদের মহাকাশযান পাঠিয়ে ইতিহাস গড়েছিল ভারত। যদিও কোনও মহাকাশচারী ছিলেন না তাতে। সব কিছু ভালোই চলছিল, নিয়মিত চাঁদ থেকে ছবি আর নানা তথ্য ভারতে পাঠাচ্ছিল চন্দ্রযান ১। হঠাৎই ২০০৯-এর আগস্টে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযান ১-এর সঙ্গে। দীর্ঘ আট বছর নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে খোঁজ মিলল তার। এমনই দাবি করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।  গ্রাউন্ড রাডারের সাহায্যে নাসার বিজ্ঞানীরা খোঁজ পেলেন হারিয়ে যাওয়া চন্দ্রযান ১-এর। আয়তনে খুব ছোটো হওয়ায় চন্দ্রযান ১-এর খোঁজ পাওয়া বেশ কঠিন ছিল, জানিয়েছেন নাসার গবেষকরা। রাডার প্রযুক্তির সাহায্যে সাধারণত গ্রহাণুদের সন্ধান করা হয়। তবে চন্দ্রযানের অবস্থান পৃথিবী থেকে…

আরও পড়ুন

বসন্তের রঙ মহাকাশেও, গ্রহ-নক্ষত্রের রোমান্স ধরা পড়ল নাসা-র দূরবিনে

নিউইয়র্ক: কে বলে বিজ্ঞান কেড়ে নিয়েছে আবেগ? দিব্যি দিন কয়েক পর পরই ভাব বিনিময় চলছে মহাকাশের এক নক্ষত্র আর এক গ্রহের মধ্যে। আর ৩৭০ আলোকবর্ষ দূর থেকে পৃথিবীর সব তাবড় বিজ্ঞানীরা কড়া নজর রাখছে সেই দিকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’-র স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে মহাকাশের এই ‘মহাপ্রণয়’। নক্ষত্রের নাম হ্যাটপি-টু। বৃহস্পতির ভরের প্রায় ৮ গুণ ভরের একটি নক্ষত্র হ্যাটপি-টু।  গ্রহটি শুধুই হ্যাটপি। হ্যাটপি মাঝেসাঝেই ঘুরতে ঘুরতে চলে আসছে হ্যাটপি-টু এর খুব কাছে। আর তখনই একটা কম্পন বা স্পন্দন অনুভূত (হার্টবিট স্টার) হচ্ছে নক্ষত্রে। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষক জুলিয়ান জানিয়েছেন, “ভ্যালেন্টাইনস ডে-র সময়ই আমরা এই আশ্চর্য ঘটনা লক্ষ…

আরও পড়ুন

এই প্রথম বামন তারায় মিলল প্রাণের শর্ত

নিউইয়র্ক: পৃথিবীর বাইরে মহাকাশের আর কোন কোনায় প্রাণের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে কিনা, সে নিয়ে বিজ্ঞানীদের গবেষণার শেষ নেই। সম্প্রতি নাসার হাবল টেলিস্কোপে চোখ রেখে বিজ্ঞানীরা খোঁজ পেয়েছেন এক বামন নক্ষত্রের। সেই নক্ষত্রে রয়েছে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন, নাইট্রোজেনের মতো উপাদান, যা প্রাণের উপস্থিতির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। পৃথিবী থেকে ২০০ আলোকবর্ষ দূরের এই তারার কথা জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক বেঞ্জামিন জুকারম্যান। ‘ডব্লিউ ডি ১২৪৫+৫৪০’- এই বিশেষ বামন তারাটির সঙ্গে গবেষকরা মিল পেয়েছেন আমাদের সৌরজগতের নানা ধর্মের। পৃথিবী কী ভাবে তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে বিজ্ঞানী মহলে। অনেক বিজ্ঞানীর মতে, সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ে পৃথিবী ছিল শুকনো। অন্য পদার্থের সঙ্গে ক্রমাগত ধাক্কা…

আরও পড়ুন

ভুল খবর, মহাকাশে যাচ্ছি না, ফেসবুকে জানালেন শাওনা পাণ্ড্য

নয়াদিল্লি: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ‘মহাকাশচারী’ শাওনা পাণ্ড্য মহাকাশে যাচ্ছেন না। পাণ্ড্য তাঁর ফেসবুক পোস্টে এ কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন। কোথাও একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। তাঁর বক্তব্য বুঝতে ভুল হয়েছে। আর সেই ভুল বোঝা থেকে যে ভুল খবর চাউর হয়েছে একটি সংবাদ সংস্থার দৌলতে, সেই ভুল ভাঙাতে ফেসবুককে আশ্রয় করলেন শাওনা পাণ্ড্য। জানিয়ে দিয়েছেন, নাসার মহাকাশ অভিযানে তাঁর নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলে যে খবর সংবাদ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তা ঠিক নয়। খবরে বলা হয়েছে, নাসার ‘সিটিজেন সায়েন্স অ্যাস্ট্রোনট’ কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে ২০১৮-এর মহাকাশ অভিযানে যাবেন ৩২ বছরের পাণ্ড্য। পাণ্ড্য জানিয়েছেন, তিনি এক সময় নাসায় ইন্টার্ন ছিলেন, কিন্তু এখন আর কোনো যোগ…

আরও পড়ুন

শুক্রবার আকাশে দেখুন পূর্ণ তুষার চন্দ্র, উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ আর ধুমকেতু

ওয়াশিংটন : শুক্রবার রাতে বিশ্ব সাক্ষী থাকতে চলেছে এক সঙ্গে একাধিক মহাজাগতিক ঘটনার। এক দিকে নজর কাড়বে পূর্ণ তুষার চন্দ্র, অন্য দিকে কাছ থেকে দেখা যাবে ধুমকেতু ৪৫পি আর দেখা যাবে উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ।   শুক্রবার পূর্ণিমা মানে পূর্ণচন্দ্র দেখা যাবে এটা ক্যালেন্ডার দেখে যে কেউ ঠিকই বলে দিতে পারেন। কিন্তু ‘পূর্ণ তুষার চন্দ্র’ সেটা আবার কী? সেটা হল শীতের মরসুমে পূর্ণিমার চাঁদ। চাঁদের এই নামকরণ করেছে আমেরিকার উপজাতি সম্প্রদায়। তারা প্রতি মাসের পূর্ণিমার চাঁদের একটা না একটা নাম দিয়েই থাকে। সেই মতোই এই মাসে চাঁদের নামকরণ করেছে ‘ফুল স্নো মুন’ অর্থাৎ ‘পূর্ণ তুষার চন্দ্র’। এই নামটা দেওয়ার কারণ হল এই…

আরও পড়ুন

আকাশের সমস্ত বিমানের ওপর নজর রাখতে পারবে নাসা-র স্পেস রেডিও সিস্টেম

ওয়াশিংটন: বছর শেষে ‘ফিরে দেখা’-র দুর্ঘটনার তালিকায় থাকবে না আর কোনো বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা, এমনটাই আশা করছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।  এবার থেকে নাসা-র স্পেস রেডিও সিস্টেমের মাধ্যমে পৃথিবীর সব বিমান থাকবে নাসা-র নজরবন্দি।  নাসার এই রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা এতটাই উন্নত, এর সাহায্যে কখনও প্লুটোর ছবি, কখনও মহাকাশ থেকে মহাকাশচারীদের তোলা ছবি পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। আরও দ্রুত তথ্য এবং ছবি পাঠানোর জন্য প্রয়োজন ছিল শুধু নতুন একটা সফটওয়্যারের। মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থা হ্যারিস কর্পোরেশন আর নাসার যৌথ উদ্যোগে তৈরি হল উচ্চ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট বেতার ব্যবস্থা।বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এর সাহায্যে আকাশের বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা আগের চেয়ে অনেক সহজ…

আরও পড়ুন

দীর্ঘ সময় ধরে মহাকাশে থাকলে পরিবর্তন আসতে পারে জিনে, বলছে গবেষণা

ওয়াশিংটন: ঘটনাটা নিছকই কাকতালীয়। অস্ট্রেলীয় ওপেনের ফাইনালে যখন দুই বোনের মুখোমুখি হওয়ার খবরে উত্তাল হচ্ছে টেনিস দুনিয়া, মহাকাশ বিজ্ঞানেও আলোড়ন ফেললেন দুই ভাই। স্কট এবং মার্ক কেলি।  সব চেয়ে বেশি দিন মহাকাশে থেকে রেকর্ড গড়ে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়েছিলেন স্কট কেলি। একটানা ৩৪০ দিন মহাকাশে ছিলেন স্কট। সব মিলিয়ে ৫২০ দিন। আর স্কটের যমজ ভাই মার্ক ছিলেন মোট ৫৪ দিন। এই দুই মহাকাশচারীর শরীরের গঠনগত পরিবর্তন তুলনা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের অনুমান, বেশি দিন মহাকাশে থাকাকালীন স্কটের শরীরের জিনের গঠন অনেক পালটে গিয়েছে।  দুই ভাইয়ের শরীরের নানা অংশে, মূলত অন্ত্রের ক্রোমোজোমীয় গঠনে অমিল খুঁজে পেয়েছেন সব গবেষকই। বিজ্ঞানীদের ধারণা, স্কট যে হেতু…

আরও পড়ুন

কেমন ভাবে বদলাচ্ছে পৃথিবী – এক ঝলকে

নয়াদিল্লি : আমাদের বাসগ্রহ এই পৃথিবী। প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে তার স্বাভাবিক রূপ। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে নানা কারণ। রয়েছে নাগরিক জীবনের ক্রম বিকাশ, মানুষের ক্রিয়াকলাপ, আবহাওয়ার পরিবর্তন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়। আবার এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও নানা রূপে পৃথিবীর ওপর তার করাল থাবা বসিয়েছে। রয়েছে বন্যা, খরা, ধস, ভূমিকম্প, দাবানল ইত্যাদি। কিন্তু তা সত্ত্বেও পৃথিবী এত সুন্দর। পৃথিবীর এই পরিবর্তনের নানা দিক আমাদের সামনে তুলে ধরেছে নাসা। পৃথিবীর সুরক্ষার স্বার্থে আর আগামী দিনে যাতে মানুষ সচেতন হয় সে জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে নাসা। এই উদ্দেশ্যেই মহাকাশের নানা জায়গা থেকে নানা সময়ে ছবি তুলেছে সংস্থাটি। ছবিতে ধরা পড়েছে পরিবর্তনের নানা রূপ। আসুন দেখি…

আরও পড়ুন

সোমবার দেখা গেল ‘সুপারমুন’

এমন ঘটনা ঘটল ১৯৪৮ সালের পর। আবার ঘটবে ২০৩৪ সালে। সোমবার পূর্ণিমার দিন যে পূর্ণচন্দ্র দেখা গেল তা ছিল বিশেষ। কারণ এই চাঁদের আয়তন স্বাভাবিক পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় বেশ কিছুটা বড়ো। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘সুপারমুন’। নাসার হিসাবে, অন্যান্য পূর্ণিমার চাঁদের তুলনায় এদিনের চাঁদের আকার খালি চোখে প্রায় ১৪% বড়ো দেখাচ্ছিল আর  উজ্জ্বলতা ছিল ৩০% বেশি। ছবি : রাজীব বসু

আরও পড়ুন