khabor online most powerful bengali news

এক ছাঁদনাতলায় ১৬ জোড়া বিয়ে, উৎসব বর্ধমানে

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: দু’-এক জোড়া নয়। একই সঙ্গে ১৬ জোড়া যুগলের বিয়ে একই রাতে। মুখের কথা নয়। গোটা বর্ধমানকে সাক্ষী রেখে বিশাল ধুমধাম করে  ৩২ জন পাত্রপাত্রী নিজেদের বৈবাহিক জীবন শুরু করল একই ছাঁদনাতলা থেকে। উদ্যোক্তা কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দির গণবিবাহ কমিটি। গণবিবাহ বলে আয়োজনের কোনো ত্রুটি বা খামতি রাখেননি আয়োজকরা। যৌতুক হিসাবে পাত্রকে দেওয়া হয় সাইকেল, খাট বিছানা, আলমারি ও সোনার আংটি। সঙ্গে দেওয়া হয় এক মাসের চাল, ডাল, লবণ-সহ মশলা। গণবিবাহের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়, পৌরপিতা খোকন দাস-সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। সকল পাত্রপাত্রী বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। কনেদের তালিকায় রয়েছেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মেয়েরা। পরিবার আর্থিক ভাবে শক্তিশালী নয়,…

আরও পড়ুন

অবশেষে ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে হচ্ছে কনীনিকার

কলকাতা : অবশেষে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দোপাধ্যায় আর সুরজিত হরি। ৫ ফেব্রুয়ারি হবে এই বিবাহ অনুষ্ঠান। গত ডিসেম্বরে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সুরজিতের বাবার মৃত্যুতে কিছু দিনের জন্য পিছিয়ে গিয়েছিল বিয়ে। বিয়ের প্রায় সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হয়ে গিয়েছিল তখনই। সূত্রের খবর, সামাজিক রীতিনীতি মেনেই হবে বিয়ের গোটা অনুষ্ঠান। বিয়ের জন্য লাল বেনারসি পছন্দ করেছেন কনীনিকা। সুরজিতের জন্য পোশাক ডিজাইন করেছেন স্নেহাশিস ভট্টাচার্য  আর রিসেপশনে বর-কনে দু’জনেই পরবেন জ্যোতি খৈতানের পোশাক। সূত্রের খবর, গত বছর রায়চকে ‘ষড়রিপু’র প্রযোজক সুরজিত হরির সঙ্গে পরিচয় হয় কনীনিকার। পরিচয়ের দু’দিনের মাথাতেই কনীনিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন সুরজিত হরি। রাজি হয়ে যান কনীনিকাও। সুরজিতের…

আরও পড়ুন

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, পরে অন্যত্র বিয়ের চেষ্টা, ধৃত বর

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বাবাজি সাজু-গুজু করছিলেন বিয়ে করতে যাবেন বলে। ধুতি পাঞ্জাবিটা গোছানোই ছিল। কনেও অপেক্ষায় ছিলও, ‘বর আসবে এখুনি নিয়ে যাবে তখুনি’। বরের বাড়িতে ফুল দিয়ে গাড়ি সাজানো প্রায়  সম্পূর্ণ। শ্বশুরবাড়িতে রওনা দিতে গিয়ে বর পৌঁছলেন মামার বাড়ি। বর্ধমান মহিলা থানার পুলিশ বর বাবাজিকে ধরে নিয়ে গেল বর্ধমান থানায়। স্থানীয় সূত্রে  জানা গেছে, বর্ধমান শহরের বাজে প্রতাপপুরে পাত্র সায়ন্তন পালের বাড়ি। শহরের শাঁখারিপুকুর এলাকার বাসিন্দা এক যুবতীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাস করে সায়ন্তন। কিন্তু ওই যুবতী বিয়ের প্রস্তাব দিতেই বেঁকে বসে সায়ন্তন। এ দিকে সায়ন্তনের জন্য কলিগ্রামে বিয়ের ঠিক করে পরিবার। সায়ন্তন…

আরও পড়ুন

মেয়ের বিয়ের কার্ডে সরকারি প্রকল্পের প্রচার করছেন অন্ডালের সীতারাম

রিন্টু ব্রহ্ম ডিসেম্বরে মেয়ের বিয়ে, মেয়ে চলে যাবে শ্বশুরবাড়ি। আর এইভাবে যাতে প্রতিটি বাড়ির মেয়েরাই বড়ো হয়ে সুখে শান্তিতে থাকতে পারে  সেইজন্য বিয়ের কার্ডেই ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’-এর বার্তা দিলেন মেয়ের বাবা। শুধু বেটি বাঁচাও নয়। মেয়ের বিয়ের কার্ডের মাধ্যমে আরো বেশ কিছু সরকারি প্রকল্পের বার্তাও দেওয়া হয়েছে। মেয়ের বাবা বলছেন, সরকার যে সব প্রকল্পের প্রচার করছেন সেগুলি সমাজের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেছেন। তাই মেয়ের বিয়ের জন্য যে ৫০০ কার্ড তিনি নিমন্ত্রণ পত্র আত্মীয়স্বজনদের পাঠিয়েছেন, সেগুলির মাধ্যমেই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচার চালাচ্ছেন তিনি।   অন্ডালের উখরার সারদাপল্লি এলাকার বাসিন্দা সীতারাম বার্নোয়াল। পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি…

আরও পড়ুন

জল নেই, কাপসার ছেলেরা আইবুড়োই থেকে যায় : জলছবি/৬

খবর অনলাইন : মাথার ওপর সূর্য, যেন দ্বিগুণ প্রতাপ নিয়ে জ্বলছে। পায়ের তোলায় ধুলোভরা ভাঙাচোরা পাথুরে পথ। কাঁখে প্লাসটিকের জলপাত্র। ভুরি চলেছেন বিড়বিড় করতে করতে। নিজের ভাগ্যকেই দুষছিলেন প্রৌঢ়া। বাবা-মা এমন একটা জায়গায় বিয়ে দিলেন যে সারা জীবন এই জল টানতে টানতেই কেটে গেল। আগে জানতে পারেননি কোথায় বিয়ে হচ্ছে। জানতে পারলে এই গ্রামে কেউ বিয়ে করে ? কোনও মেয়ে সারাটা জীবন এই ভাবে কাটাতে চায় ? বছরে ৩৬৫ দিন ২৪ ঘণ্টা এই ভাবে জল টানা! তা-ও এক-আধ বার নয়, দিনে বেশ কয়েক বার। ওই যে পাহাড়টা দেখা যাচ্ছে, গ্রাম থেকে দু’ কিমি দূরে। পাহাড়ের মাথায় আছে ‘পাহাড়ওয়ালি মাতা কা…

আরও পড়ুন