khabor online most powerful bengali news

কুকুছিনার কাহিনি : জীবন্ত মহাকাব্য

সুমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারাহাট থেকে আট কিলোমিটার দূরে ধুধৌলিতে একটি সরকারি অতিথিশালা একা একা দাঁড়িয়ে আছে পুজো-না-পাওয়া কার্তিক ঠাকুরের মতো মুখ ম্লান করে। এই নিঃসঙ্গ অতিথিনিবাসে এক দিন বাতি জ্বালালে মন্দ হয় না। কুকুছিনা থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরে দুনা গিরিমাতার মন্দির। রাস্তা থেকে অনেক উঁচুতে, প্রায় পাঁচশো সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হবে। দুনা গিরিমার মাহাত্ম্য এখানকার যে কোনো মানুষের কথায় ও আবেগে অনুভব করতে পারবেন। দেব-দেবীতে ভক্তি, বিশ্বাস যাঁদের নেই তাঁরাও যদি পাঁচশো সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠেন তা হলে পরিশ্রম বিফলে যাবে না। প্রথমত, উঁচু থেকে প্রকৃতিকে দেখার অভিজ্ঞতা ঈশ্বরদর্শনের মতোই দুর্লভ আর দ্বিতীয়ত, এই মন্দির-লাগোয়া হলঘরে সারা দিন ধরে চলছে…

আরও পড়ুন

কুকুছিনার কাহিনি : গাড়ি ছোটো, ‘দিল’ বড়ো

সুমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় পাণ্ডবদের তখন অজ্ঞাতবাস চলছে, তাঁদের খুঁজে বার করতে চতুর্দিকে ছুটে বেড়াচ্ছে কৌরব সেনার দল। আজকের উত্তরাখণ্ডের যে গ্রামে পাণ্ডবদের অবস্থানের শেষ খবর পাওয়া গিয়েছিল সেখানেও ধাওয়া করেছিল কৌরবরা। কিন্তু ওই ধাওয়া করে যাওয়াই সার, কোথায় কী? পথ এসে শেষ এই গ্রামে, এর পর শুধু দুর্গম পাহাড় আর গভীর অরণ্য। রহস্যমাখা প্রকৃতির বুকে আত্মগোপন করল পাণ্ডবরা, ছাউনি বানিয়ে বসে তন্ন তন্ন করে পাহাড়-জঙ্গল চষেও তাদের অস্তিত্ব আবিষ্কার করতে পারল না কৌরবরা। কৌরবসেনা, কৌরব ছাউনি থেকে পরিবর্তিত হতে হতে গ্রামটির এখনকার নাম ‘কুকুছিনা’। এখানে শুধু এক বার এসে পৌঁছোনোর অপেক্ষা। তার পরেই মনে হবে হঠাৎ করে সময়যানে চেপে চলে গেছি…

আরও পড়ুন