khabor online most powerful bengali news

অন্দরসজ্জা: ঘরেতে ভ্রমর যদি আসে

মৈত্রী মজুমদার ছোটোবেলায় পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগে থেকেই ছুটির দিন গোনা শুরু হয়ে যেত। কারণ একটাই, পরীক্ষা শেষ হলেই মামাবাড়ি, মাসিবাড়ি, জেঠুরবাড়ি বেড়াতে যাওয়া। আর তখন বেড়ানো মানেই দেদার মজা, অবাধ স্বাধীনতা মাঠেঘাটে, পুকুরে, বনেবাদাড়ে ঘুরে বেড়ানোর। চৈত্র–বৈশাখে আম কুড়নো আর পৌষ-মাঘে খেজুরের রস।দুপুরে রাতে সার দিয়ে পংক্তি ভোজন, সন্ধে বেলা চপ-মুড়ি সহযোগে হ্যারিকেনের আলোয় গল্প-গানে মেতে ওঠা আর শোওয়ার জন্য দালানের ঢালা বিছানা।এভাবেই তুতো ভাইবোনদের সঙ্গে হইহই করে কেটে যেত কত না দুপুর বিকেল। আজ আর সেই দিন নেই। না, শুধু যে আমার সে বেলা গেছে তাই নয়। আজকের যুগে এতটা নির্ভেজাল ছুটি, দালানের বিছানা, হ্যারিকেনের আলো সবই  আধুনিকতার…

আরও পড়ুন

অন্দরসজ্জা: বল তো আরশি

মৈত্রী মজুমদার ‘বল তো আরশি তুমি মুখটি দেখে…’, মনে পড়ছে গানটা? শুধু এই গানটাই বা বলি কেন, বাংলা সাহিত্যে, গানে কবিতায় আরশি বা আয়না তো নানা রূপে ধরা পড়েছে। মনে পড়ে সেই গল্পটা যেখানে এক গৃহস্থ পরিবারের লোকেরা যাযাবরদের কাছে প্রথমবার আয়না দেখে নিজেদের প্রতিবিম্বকে অন্য মানুষ বলে ভেবেছিল? অথবা সেই যে রাজার সুয়োরানি, তুষারশুভ্রার সৎমা, যে মায়াদর্পণের কাছে বারবার জানতে চাইতো “এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুন্দরী কে?” এরকম কত যে কাহিনি আছে! সত্যি আয়নার আবিষ্কার না হলে মানব সভ্যতার ইতিহাস যে ঠিক কোন খাতে বইতো, তা বলা মুশকিল। তবে আমাদের কাছে যখন আয়না আছে তখন আমরা বরং তার বিচিত্র ব্যবহার…

আরও পড়ুন

অন্দরসজ্জা: যদি ‘রঙ’ দিলে না প্রাণে

মৈত্রী মজুমদার “মনে কর আমি নেই, বসন্ত এসে গেছে/ কৃষ্ণচূড়ার বন্যায় চৈতালি ভেসে গেছে…” বিবিধভারতীতে সুমন কল্যানপুরের গাওয়া সেই কবেকার এই গানটা শুনতেসন্ শুনতে হঠাৎ মনে হল সত্যি তো কত কত বত আমরা পার করে ফেলি এই ইঁট কাঠ কংক্রিটে ঠাসা শহরটার অলিতে গলিতে যন্ত্রের মতো ঘুরতে ঘুরতে। কিন্তু তার গোলকধাঁধারও যে রঙ পালটায় তার হদিস করার সময় কি পাই? এই যে গলির মাথার পার্কে বড় হয়ে ওঠা মন্দার, রাধচূড়া, কৃষ্ণচূড়ায় লালহলুদের মেলা বসতে চলেছে; ওই যে সেদিন দুপুরের উষ্ণ পরশের মাঝে দুকলি কোকিলের ডাক শোনা গেল আর গতকাল অফিসফেরতা গলদঘর্ম হয়ে বাস থেকে নামতেই দখিনা বাতাসের মিষ্টি একটা ঝলক…

আরও পড়ুন

অন্দরসজ্জা: বাচ্চাদের ঘর

মৈত্রী মজুমদার সে একদিন ছিল যখন পাঠশালা ফাঁকি দিয়ে অপুরা একছুটে চলে যেতে পারত মাঠে বা আমবাগানে আবার সেখান থেকে দুর্গাদিদির হাত ধরে দৌড়তে দৌড়তে মাঠঘাট, বনবাদাড়, কাশফুলের জঙ্গল পার হয়ে যেত রেলগাড়ি দেখার আশায়।  আজ  আর  সেদিন নেই। পাঠশালা  পলায়ন  তো দূরস্থান, পৃথিবীর আলো  দেখার পর আঠারো মাস কাটতে না কাটতেই পিঠে ব্যাগ আর জলের বোতল নিয়ে আজকের অপু-দুর্গা দের যেতে হয় প্লে স্কুলে। আর প্রকৃতির অপার রহস্যের সন্ধান এবং সমাধান দুটোই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে বই আর ইন্টারনেট-এর ওপর। সে যাই হোক, ‘যস্মিন কালে যদাচার…’ । এসব কথা বলার আসল কারণ হল, এমতাবস্থায় বাচ্চা মানুষ করার ক্ষেত্রে বাড়িতে বাচ্চাদের…

আরও পড়ুন

অন্দরসজ্জা: পড়ার ঘর বা হোম অফিস

মৈত্রী মজুমদার শীত প্রায় শেষের মুখে, ইংরাজি নববর্ষও  কিছুটা পুরোনো ঘটনা এই মুহূর্তে। সব ধরনের উৎসব তাই এখন যাইযাই রব ধরেছে। হাতে বাকি বলতে শুধু সরস্বতী পূজা। নাহ!শুধু তাই বললে কি হবে? কলকাতা বইমেলা, সেও কি কম  উৎসব  হল বাঙালির কাছে ? শেষ শীতের রোদে গা মজিয়ে, কাঁধে ঝোলা ব্যাগ নিয়ে, অথবা সরস্বতী পুজোর দিন স্কুল-কলেজের বন্ধুদের সঙ্গে প্রথম শাড়ি বা নতুন পাঞ্জাবি পরার মাদকতা নিয়ে বইমেলায় ঘুরে বেড়ানো। সে যে না গেছে তাকে বোঝান, ও স্বয়ং ব্রহ্মারও সাধ্য নেই।  কিন্তু শুধু উৎসবে মাতলেই কি হবে ? মা সরস্বতীর হাত ধরে যে বচ্ছরকার   পরীক্ষাগুলো একে একে এসে হাজির হবে, তাদের…

আরও পড়ুন

অন্দর সজ্জা: ‘ওয়ার্ক হার্ড – পার্টি হার্ডার’

মৈত্রী মজুমদার দেখতে দেখতে বছর শেষ, আসছে আর একটা নতুন বছর। আর এটাই তো সময় জমিয়ে আনন্দ করার। কেউ যাবেন দূরে বেড়াতে, কেউ কেউ কাছাকাছি পিকনিক সেরে নেবেন আবার কেউ কেউ এই সুযোগে নিজের আত্মীয়-বন্ধু নিয়ে জমিয়ে আড্ডা আর খাওয়াদাওয়া করে শামিল হবেন উৎসবের আনন্দে। আসা-যাওয়া চলতে থাকুক নিজের তালে, আপনি এই ফাঁকে নিজের বাড়িটিকে সাজিয়ে তুলুন পার্টি মুডে। আমাকে অনেক পার্টিতে যেতে হবে। তাই চলুন তাড়াতাড়ি দেখে নিই কী ভাবে এই মরশুমে নিজের ঘরটি সাজিয়ে নেওয়া যায়। উৎসব মানেই রঙ, উৎসব মানেই আলো … যে কোনো জায়গাকে কম খরচে রঙিন করে তোলার সব চেয়ে সহজ উপায় হল রঙিন কাগজ।…

আরও পড়ুন