khabor online most powerful bengali news

কেমন ভাবে বদলাচ্ছে পৃথিবী – এক ঝলকে

নয়াদিল্লি : আমাদের বাসগ্রহ এই পৃথিবী। প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে তার স্বাভাবিক রূপ। এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে নানা কারণ। রয়েছে নাগরিক জীবনের ক্রম বিকাশ, মানুষের ক্রিয়াকলাপ, আবহাওয়ার পরিবর্তন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়। আবার এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও নানা রূপে পৃথিবীর ওপর তার করাল থাবা বসিয়েছে। রয়েছে বন্যা, খরা, ধস, ভূমিকম্প, দাবানল ইত্যাদি। কিন্তু তা সত্ত্বেও পৃথিবী এত সুন্দর। পৃথিবীর এই পরিবর্তনের নানা দিক আমাদের সামনে তুলে ধরেছে নাসা। পৃথিবীর সুরক্ষার স্বার্থে আর আগামী দিনে যাতে মানুষ সচেতন হয় সে জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে নাসা। এই উদ্দেশ্যেই মহাকাশের নানা জায়গা থেকে নানা সময়ে ছবি তুলেছে সংস্থাটি। ছবিতে ধরা পড়েছে পরিবর্তনের নানা রূপ। আসুন দেখি…

আরও পড়ুন

গরু-মোষের সঙ্গে এক শিবিরে ঘরছাড়া চাষিরা : জলছবি/৫

খবর অনলাইন: ২১টা গরু, কিছু জামাকাপড়, সামান্য বাসন, একটা দড়ির খাটিয়া আর একটা ক্যালেন্ডার –- এই সম্বল করে চলে এসেছে ঘোলাপ পরিবার। বিডের গ্রাম থেকে পালওয়ানের এই ঝোপড়িতে। আসলে এটা ঝোপড়ি নয়, বাঁশের খুঁটি গেড়ে মাথায় তেরপল ছাওয়া। এগুলো গবাদিপশুর আশ্রয়স্থল। এখানেই রয়েছে ঘোলাপ পরিবার। গ্রামে তিন বছর বৃষ্টি নেই। তিন একর জমিই শুখা পড়ে রয়েছে। গরু-মোষের কোনও খাদ্য নেই, কুয়োগুলো শুকনো খটখটে। বেশির ভাগ যুবক কাজের খোঁজে কাছাকাছি শহরে চলে গেছে। ঘোলাপরা তিন ভাই তাই বউদের নিয়ে চলে এসেছেন এই পালওয়ানে। সঙ্গে গরুগুলো ছিল। তাই আশ্রয় মিলেছে গবাদিপশুর খোঁয়াড়ে। স্কুলপড়ুয়া চারটে বাচ্চাকে রেখে এসেছেন তাদের দাদু-ঠাকুমার জিম্মায়। বাচ্চাগুলো অন্তত…

আরও পড়ুন

“লাতুরে মালগাড়িতে জল যায়, আমরা দেড় হাজারে এক ট্যাংকার জল কিনি” : জলছবি/৪

খবর অনলাইন : “সব মনোযোগ লাতুর আর মরাঠাওয়াড়ার দিকে। আমাদের এই সাতারা তো খরা-খবরের শিরোনামে নেই, তাই এ দিকে খুব একটা নজর নেই কারও। জলের অভাবে মানুষ, পশু, শস্য মরে যাচ্ছে। কারও হুঁশ নেই। না সরকারের, না কোনও এনজিও-র” – আক্ষেপ করছিলেন সাতারার চাষি লক্ষ্মণ নালে। সাত জনের পরিবার নালের। বাবা-মা, স্ত্রী ও তিন ছেলেমেয়ে। সাতারা শহর থেকে ৭০ কিমি দূরে ফলতন তালুকের গ্রামে থাকেন। ৫০ বছরের চাষি পরিবার। এ বার লাগিয়েছিলেন বেদানা গাছ। খর রোদে সব চারা একেবারে শুকিয়ে গিয়েছে। ঠিকঠাক ফলন হলে এই চাষ থেকে বছরে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা আয় হয়। এ বছর চাষের জন্য যে টাকা…

আরও পড়ুন

মারাঠাওয়াড়ার গ্রামে জল আনতে গিয়ে হিট স্ট্রোকে প্রাণ গেল ছাত্রীর

খবর অনলাইন: ঘরে এক ফোঁটা জল নেই। তাই স্কুল ছুটির পর পাড়ার অন্যদের সঙ্গে জল আনতে বেরিয়েছিল বছর দশেকের যোগিতা। জল নিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না তার। প্রচন্ড গরমে হিট স্ট্রোক হয়ে পথেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় সে। পাড়ার লোকেরা ধরাধরি করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মহারাষ্ট্রের বিড জেলা খরায় ফুটিফাটা। সেই জেলার সবলখেদ গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী যোগিতা অশোক দেশাইয়ের বাড়ি। ঘটনার পর থেকে শোকে পাথর তার পরিবারের সদস্যরা। এক মাস আগেই বিড জেলারই পিমপল গ্রামের এক বছর দশেকের মেয়ে জল আনতে গিয়ে পাতকুয়ায় পড়ে মারা যায়। বিড খরাকবলিত মারাঠাওয়াড়া অঞ্চলের একটি…

আরও পড়ুন

১৩৯ বছরে এই প্রথম, নাসিকের রামকুণ্ড ঘাট শুকিয়ে কাঠ

খবর অনলাইন : জলের জন্য হাহাকার মহারাষ্ট্রে। আর তারই আরেক ছবি নাসিকের রামকুণ্ড ঘাট। একেবারে শুকিয়ে গেছে গোদাবরীর এই ঘাট। ১৩৯ বছরে এই প্রথম। আগামিকাল শুক্রবার ‘গুডি পাড়ওয়া’, চৈত্র শুক্লা প্রতিপদ, মরাঠিদের নববর্ষ। কুম্ভমেলার সময়ে গোদাবরীতে স্নান করার জন্য যে ঘাট সব চেয়ে বেশি জনপ্রিয় সেই রামকুণ্ড ঘাটে কাল হাজার হাজার মানুষের স্নান করার কথা। মাথায় হাত নাসিক মিউনিসিপ্যালিটির। নাসিকে গোদাবরীর অবস্থা এমনিতেই খুবই করুণ। নদীতে স্রোতধারা অক্ষুণ্ণ রাখতে গঙ্গাপুর ড্যাম থেকে নিয়মিত জল ছাড়তে হয়। এ বার সেই গঙ্গাপুর ড্যামেও যথেষ্ট জল নেই। যার ফলে রামকুণ্ড ঘাট শুকিয়ে কাঠ। কিন্তু কালকের জন্য কী ব্যবস্থা হবে ? অন্য সূত্র থেকে…

আরও পড়ুন

লাতুরের জন্য মালগাড়িতে পানীয় জল

খবর অনলাইন : চার বছর ধরে খরায় জ্বলছে লাতুর। চাষ লাটে উঠেছে। পানীয় জল তো দূরস্থান, দৈনন্দিন প্রয়োজনের জলই মেলা ভার। কিন্তু জল তো জীবন। জল পান না করে মানুষ বাঁচবে কী করে ? তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে, মালগাড়িতে যাবে পানীয় জল। এ ছাড়া আর তো কোনও উপায় নেই। চার বছর ধরে বৃষ্টি নেই, তাই লাতুরকে খরাপ্রবণ অঞ্চল বলে ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। জলহীন লাতুরের জন্য বাইরে থেকে অন্তত পানীয় জলটুকুর জোগান দিতে রেলের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু জানিয়েছেন, আপাতত দু’টি মালগাড়ির রেক মোট ১০০টি জলের ট্যাংকার নিয়ে লাতুরে মজুত থাকবে। এর পর ৫০টি ট্যাংকার নিয়ে প্রথম মালগাড়িটি…

আরও পড়ুন