khabor online most powerful bengali news

তিন দিনের অজ্ঞাতবাসে ৪/ দারিংবাড়ি বিদায়

শম্ভু সেন: চন্দ্র গুছিয়েই খাওয়াল। কিন্তু আজ আমাদের তর সইছে না। ইকো হোমে ঘরের সামনে বসানো আরামকেদারাটা রোদে মাখামাখি হয়ে আমাকে ডাকছে। জানি, ডাকে সাড়া দিয়ে যদি একটু আয়েস করি, তা হলে দু’ চোখের পাতা এক হয়ে যাবে। কিন্তু উপায় নেই। টুরিস্টি ভাষায় যাকে বলে স্পট, তারই কিছু দেখা এখনও বাকি যে। দারিংবাড়িকে চেনা এখনও তো সম্পূর্ণ হয়নি। তাই মনে মনে ‘আরাম হারাম হ্যায়’ আওড়ে আবার রওনা। পৌনে চারটেয় আবার যাত্রা। ইকো হোমের রাস্তা দিয়ে গড়িয়ে এসে জাতীয় সড়কে পড়ে এ বার বাঁ দিকে ছুট। চৌমাথায় এসে সোজা এগিয়ে চলা। কয়েকশো মিটার পর্যন্ত দারিংবাড়ির ঘরসংসার। তার পর দু’ পাশের গাছগাছালি…

আরও পড়ুন

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ৩ / দারিংবাড়ি ছাড়িয়ে

শম্ভু সেন : দিনে মালুম হয়নি ততটা। রাতে ঠান্ডা পড়েছিল ভালোই। তাই লেপের মায়া কাটাতে বেশ সময় লাগল। ততক্ষণে সূর্য ঘরবসত জমিয়ে বসেছে। আজ আর তার উদয় দেখা হল না। এই ইকো হোম থেকে সূর্য একটু আড়ালে পড়ে। তাই গেট থেকে বেরিয়ে ঢাল বেয়ে কয়েক পা নেমে এসে পরিত্যক্ত পান্থশালার সামনে আসতে হয়। এই জায়গাটাই হল দারিংবাড়ির অঘোষিত সানরাইজ পয়েন্ট। বলতে ভুলেই গেছি। এই দারিংবাড়িতে ছিল ওড়িশা পর্যটনের পান্থশালা। ২০০৩ সালের ২৪ জানুয়ারি এই পান্থশালার উদবোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। শেষ পর্যন্ত দু’ বছর চলে তা বন্ধ হয়ে যায়। অজুহাত, মাওবাদী কার্যকলাপ। অথচ এই তথাকথিত ‘মাওবাদী কার্যকলাপের’ মাঝেই চালু হয়েছে…

আরও পড়ুন

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ২ / দারিংবাড়ির প্রেমে

ইকো হোম থেকে শম্ভু সেন: দুপুরের খাওয়াটা বেশ জম্পেশ হল। অনিলবাবু আপশোশ করছিলেন মাছ খাওয়াতে পারছেন না বলে। এই দারিংবাড়িতে মাছ জোগাড় করা ততটাই দুষ্কর যতটা দুষ্কর ডুমুরের ফুল জোগাড় করা। তাই শেষ চেষ্টা করেছিলেন দিব্যকে দিয়ে মাছ জোগাড় করার। কিন্তু দুপুর সাড়ে ১২টায় আসকার বাজারে মাছ পাওয়া যাবে, সেখানকার মৎস্যাসক্তির এমন খ্যাতি আছে বলে আমার অন্তত জানা নেই। আমিষ তো হল না। কিন্তু চন্দ্র যা নিরামিষ আহার করাল তাতে তো আমরা ফিদা -– সরু চালের গরম ঝরঝরে ভাত, পিঁয়াজ-সহ মশুর ডাল, আলুপোস্ত, ফুলকপির তরকারি, দু’ রকম ভাজা এবং শেষ পাতে চাটনি। পদের সংখ্যায় নয়, চন্দ্রের রান্নার হাতেই আমরা কাত।   …

আরও পড়ুন

♦ ঠান্ডায় কাঁপছে ওড়িশা, দারিংবাড়ি শীতলতম জায়গা

ভুবনেশ্বর: প্রচণ্ড ঠান্ডায় কাঁপছে ওড়িশা। কন্ধমাল জেলার দারিংবাড়ি ছিল শনিবার রাজ্যের শীতলতম জায়গা। এখানে সর্বনিম্ন রেকর্ড করা হয়েছে ৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জেলার সদর দফতর ফুলবনিতে তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি। রাজ্যের দীর্ঘ অংশ জুড়ে শৈত্যপ্রবাহ বইছে। অন্তত ১১টি জায়গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে রেকর্ড করা হয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে বলা হয়েছে। রাজধানী ভুবনেশ্বরে তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি। 

আরও পড়ুন

শীতের গন্তব্য/১ : খবর অনলাইনের বাছাই

ঝান্ডি ইকো হাট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা মোদীজির ডিমানিটাইজেশনের ঠ্যালায় পকেটের নাভিশ্বাস ওঠার অবস্থা। এই সময় বেড়ানোর গপ্প। নিশ্চয়ই ভাবছেন তাই। তেমন শীত এখনও পড়েনি। আগাম হদিশ দিয়ে আমরা রাখলাম কিছু বেড়ানোর জায়গার। এমন কিছু জায়গা, যেখানে শীত যেতে যেতে মার্চ পেরিয়ে যাবে। সুতরাং এখনই কেন, আগাম পরিকল্পনা করুন, ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে যখন খুশি বেরিয়ে পড়ুন। তত দিনে বাজার কিছুটা ধাতে আসবেই। আর যত কষ্টই হোক, মনটা তো সব সময় উড়ুউড়ু। পরিস্থিতি একটু বাগে এলেই মনে হবে কোথাও যাই। তারই সুলুকসন্ধান। আজ প্রথম কিস্তি।   ত্রিপুরা অবস্থানগত কারণে পর্যটন মানচিত্রে উত্তরপূর্বের এই রাজ্যটি কিছুটা উপেক্ষিতই। কিন্তু এতটুকু ছোটো রাজ্যে এত বেশি…

আরও পড়ুন

দেশে বর্ষায় এক ডজন গন্তব্য: খবর অনলাইনের বাছাই

বেশির ভাগ মানুষের কাছে বর্ষাকালটা ঘুরে বেড়ানোর সময়ই নয়। চার দিকে জল-কাদা মাখামাখি, এর মধ্যে ঘোরা যায় না কী! কিন্তু বর্ষার সত্যিকারের রূপ যদি উপভোগ করতে হয়, তা হলে বাড়িতে না থেকে বেরিয়ে পড়ুন। খুব বেশি দিন নয়, দিন পাঁচেক থেকে এক সপ্তাহ ছুটি নিলেই ঘুরে আসা যায়, ভারতের এমন এক ডজন জায়গার সন্ধান দিচ্ছে খবর অনলাইন। জিম করবেট (উত্তরাখণ্ড) বন্যপ্রাণী যাঁরা ভালোবাসেন বর্ষায় তাঁদের আদর্শ গন্তব্য। পর্যটকদের ভিড় নেই। একটা গুজব খুব প্রচলিত। বর্ষায় বন্ধ থাকে জিম করবেট। না, তা নয়। ধিকালা, বিজরানি, দুর্গাদেবী আর ঝির্না – এই  চারটি জোনের মধ্যে ঝির্না সারা বছরই খোলা থাকে। আর কোশী নদীতে…

আরও পড়ুন