khabor online most powerful bengali news

ভোপালের ফ্ল্যাটে লোহার বাক্সে মিলল বাঁকুড়ার মেয়ের দেহ, ধৃত প্রেমিক

ভোপাল: গত বছরের জুন মাসে আমেরিকায় চাকরি পেয়েছেন বলে বাড়ি ছেড়েছিলেন আকাঙ্খা শর্মা। বাঁকুড়ার রবীন্দ্রপল্লিতে বাবা-মার সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন তিনি। তারপর নিয়মিত যোগাযাগও ছিল বাড়ির সঙ্গে। তারপর মাস দুয়েক হল যোগাযোগ বন্ধ করে দেন আকাঙ্খা। গত ৫ জানুয়ারি পুলিশে ডায়রি করেন ২৮ বছরের আকাঙ্খার বাবা-মা।বৃহস্পতিবার ভোপালের ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।  তবে সে দেহ উদ্ধার করতে পুলিশকে ৩ ঘণ্টা কসরৎ করতে হয়। কারণ, মাস দুয়েক আগে আকাঙ্খাকে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে খুন করে তাঁর দেহ একটি লোহার বাক্সে রেখেছিল আকাঙ্খার প্রেমিক উদয়ন দাস। না, সেখানেই শেষ নয়। বাক্সের উপর কংক্রিটের গাঁথনিও করে দিয়েছিল সে।  ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা উদয়ন বাবার…

আরও পড়ুন

‘ছেলের’ টানে আর্জেন্তিনা থেকে বাংলার গ্রামে বিদেশিনী মা

ইন্দ্রাণী সেন, বাঁকুড়া চার বছর আগে ফেসবুক মারফত আলাপ। সেই আলাপ আরও গভীর হয় জন্মদাত্রী মা মারা যাওয়ার পর। কঠিন সময় ‘ছেলে’র পাশে ছিলেন, বুঝতে দেননি মাতৃবিয়োগের বেদনা। ফেসবুকের চ্যাটেই ‘ছেলে’র মনোবল চাঙ্গা করছিলেন ‘মা’। এ বার সেই ‘ছেলে’র ডাকেই বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাড়িতে চলে এলেন ‘মা’। ছেলের নাম মুকুল দিগর, বাড়ি বাঁকুড়া জেলার আকুইয়ে। মা আরাসেলি ইয়েনা পাদমা রেমোন্দেজ, বাড়ি আর্জেন্তিনার বিয়া কানিয়াস। চার বছর আগে পঞ্চাশোর্ধ আরসেলির সঙ্গে পরিচয় হয় স্কুলশিক্ষক বছর পঁচিশের মুকুলবাবুর। তখন থেকেই আরসেলির মাতৃসুলভ আচরণে আবদ্ধ হয়ে যান মুকুল। মুকুলবাবুও আরসেলিকে তাঁর বাড়িতে আসার জন্য আহ্বান জানান। ছেলের আহ্বান ফেলতে পারেননি ‘মা’। জানুয়ারির…

আরও পড়ুন

পাহাড়ে চড়ার প্রশিক্ষণ

ক্যানিং মাউন্টানিয়ারিং ক্লাবের তরফ থেকে বাঁকুড়ার শুশুনিয়ায় আয়োজন করা হয়েছিল একটি ‘রক ক্লাইম্বিং’ শিবির। গত ১৫ থেকে ১৮ ডিসেম্বর চলে এই শিবির। শিবিরে অংশগ্রহণ করেছিল ৮৫ জন যাদের বয়স সাত থেকে পঁচিশের মধ্যে।   চল্লিশ জন দক্ষ প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের। পাহাড়ে চড়ার পাশাপাশি পরিবেশ সংক্রান্ত সচেতনতাও দেওয়া হয়। সকালে প্রশিক্ষণের পর সন্ধ্যায় আয়োজন করা হত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ছবি : কৌস্তভ ঘোষ 

আরও পড়ুন

ইন্দাসের আকুইয়ে অনুষ্ঠিত হল আবৃত্তি সম্মেলন

আকুই, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের আকুই গ্রামে অনুষ্ঠিত হল আবৃত্তি সম্মেলন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব অনাদি বসু, বেতারশিল্পী দেবাশিস ধাড়া, ইন্দাসের বিডিও সুচেতনা দাস, পূর্বস্থলী এক নম্বর ব্লকের বিডিও পুস্পেন চট্টোপাধ্যায়, সমাজকর্মী রমাপ্রসাদ সেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের প্রথমে সংবর্ধনা দেওয়া হয় সর্বশিক্ষা মিশনের পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী গায়ত্রী গুহ আর নাট্যব্যক্তিত্ব অনাদি বসুকে। কবিতা, গান, উপনিষদ আর গীতার শ্লোক আবৃত্তি, শ্রুতি নাটক মঞ্চস্থ হয়। আবৃত্তি পরিবেশন করেন ইন্দাসের বর্তমান আর প্রাক্তন বিডিও-ও। সব মিলিয়ে এক আবৃত্তিময় শীতকালীন সন্ধে উপভোগ করেন সাধারণ দর্শক।

আরও পড়ুন

ময়নাপুরের অক্ষয় স্মৃতি

শম্ভু সেন স্বামীজি সাগ্রহে পড়ি/পুঁথি শিরে রাখে ধরি/সাবাস শাঁকচুন্নি মাস্টার।/জননী সারদামণি/অক্ষয়ে ডাকাইয়া আনি/ আশীর্বাণী কহিলা তাহার।।/নবভাগবত কথা/গাহিলেন বসি যেথা/ নৈমিষারণ্য সম খনি।/রামকৃষ্ণ তীর্থমালা/বঙ্গভূমে সমুজ্জ্বলা।/ময়নাপুর তার মাঝে মণি।। “শাঁকচুন্নি মাস্টার ?” “বেঁটে, কালো, রুগ্ন শরীর, অযত্নে বর্ধিত দাঁড়িগোঁফ, মাথায় বিরাট পাগড়ি, মোটা ফ্রেমের চশমা।  সব মিলিয়ে এমন একটা চেহারা যা দেখে স্বামী বিবেকানন্দ ডাকতেন ‘শাঁকচুন্নি মাস্টার’ বলে। স্বামীজি যাঁদের ভালবাসতেন তাঁদের এই রকম অদ্ভুত সব নামে ডাকতেন।” “কিন্তু মাস্টার কেন ?” “খুবই দরিদ্র অবস্থা ছিল। যেটুকু লেখাপড়া করেছিলেন, সেটুকু সম্বল করে গ্রাম থেকে কলকাতায় চলে যান। মাস্টারি শুরু করেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে — নিজের শ্বশুরকুলের বিখ্যাত এক পূর্বপুরুষ সম্পর্কে এ ভাবেই বুঝিয়ে…

আরও পড়ুন

সূচনার অজানা ইতিহাস, তবু আজও উজ্জ্বল ত্রিশালনের গুপ্তবাড়ির কালীপুজো

ইন্দ্রাণী সেন, বাঁকুড়া এই পুজোর বয়স আনুমানিক চারশো বছর। কিন্তু কী ভাবে এই পুজোর সূচনা, সেটা আজও অজানা পরিবারের সদস্যদের কাছে। তবুও এই পুজো ঘিরে চার দিন মেতে থাকে গোটা গ্রাম। চলে মেলা, হয় আতসবাজির প্রদর্শনী। বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের ত্রিশালনের গুপ্তবাড়ির কালীপুজো। পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সদস্যা সুনীপা গুপ্তের কথায়, কী ভাবে এই পুজোর সূচনা হয় সেটা তাঁর পূর্বপুরুষদের কাছে অজানা। সুনীপাদেবী বলেন, পুজো উপলক্ষে পরিবারের সব সদস্য একত্রিত হয়। সেই সঙ্গে হয় খুব আনন্দ আর মজা। চার দিন ধরে চলে এই পুজো। পুজোর বৈশিষ্ট্য হল পুজোর আগের দিন গুপ্ত পরিবারের সদস্যরা হবিষ্যান্ন গ্রহণ করে কালী অর্চনা শুরু করেন। পরের দিন…

আরও পড়ুন

বাংলার গোকুলে

শম্ভু সেন আরে, এ তো আর এক পঞ্চরত্ন মন্দির। তবে পোড়ামাটির প্রাচীন মন্দির নয়, একেবারে হাল আমলের ইট-বালি-সিমেন্টের। গা থেকে এখনও নতুনের গন্ধ যায়নি। তবে এই মন্দিরে কোনও বিগ্রহ নেই। রয়েছে প্ল্যাটফর্ম, টিকিট কাউন্টার, স্টেশন মাস্টারের ঘর। এ হল গোকুলনগর স্টেশন, বাংলার গোকুল। হবে না-ই বা কেন ? মল্লভূমি বিষ্ণুপুর যদি গুপ্ত বৃন্দাবন হয়, তা হলে ঢোলসাগর থেকে প্রবাহিত যমুনা-তীরের গোকুলনগর কৃষ্ণভক্ত মল্লরাজাদের গোকুল হবে না কেন ? মল্লরাজ প্রথম রঘুনাথ সিংহ এখানেই তৈরি করেছিলেন গোকুলচাঁদ শ্রীকৃষ্ণের মন্দির। আর সেই ঐতিহ্য মেনেই এখানকার স্টেশনটিও মন্দিরের আদলে তৈরি। এ-ও এক দ্রষ্টব্য।      একটু আগে জোর এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেল।…

আরও পড়ুন

সাড়ে তিনশো বছর ধরে রায়পরিবারে দুর্গা পূজিতা হচ্ছেন নারায়ণী রূপে

ইন্দ্রাণী সেন, বাঁকুড়া   এখানে দেবী দুর্গা চতুর্ভুজা। প্রতিমায় মহিষাসুর অনুপস্থিত। পুজোয় হয় না কোনো বলিদান, এমনকি সপ্তমীতে হয় না কলাবৌ স্নানও। অন্নভোগের পরিবর্তে চাল নিবেদন করা হয় দেবী দুর্গাকে। বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস ব্লকের আকুই গ্রাম। এখানকার রায় পরিবারেই বিগত সাড়ে তিনশো বছর ধরেই এমন ভাবে পূজিতা হন মা দুর্গা। দুর্গাপুজোর সূচনা করেন তৎকালীন বর্ধমান রাজার দেওয়ান কানুরাম রায়ের বড়ো ছেলে ব্রজনাথ। বর্ধমান রাজার সহায়তায় রাধাকান্ত মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন কানুরাম। মন্দিরে আরাধ্য রাধাকৃষ্ণ। কথিত আছে কানুরাম নিজে বৃন্দাবনে গিয়ে সেখান থেকে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধারানির মূর্তি আর শালগ্রাম শীলা নিয়ে এসে এই মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করেন। ততদিনে দুর্গাপুজো শুরু করে দিয়েছেন ব্রজনাথ।…

আরও পড়ুন

কমবেশি বৃষ্টি কিছুদিন, মহালয়ার পর আবহাওয়া ভালো হওয়ার ইঙ্গিত

বেশ কয়েকদিন শুকনো থাকার পর, দু’দিন হল ফের বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। পুজোর আগে এই বৃষ্টির ফলে এখন চিন্তার ভাঁজ পুজোউদ্যোক্তা থেকে পটুয়া, পুজোর বাজারের ক্রেতা থেকে বিক্রেতা সবার কপালে। এ বার কি বৃষ্টিতে ভাসবে পুজো? না, পুজোয় বৃষ্টি হবে কি না পরিষ্কার এখনই বলা যাবে না। তবে আগামী তিন দিন গোটা রাজ্য জুড়ে কমবেশি বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও, উত্তরবঙ্গের জন্য ভারী বৃষ্টি সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। এই মুহূর্তে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে একটি নিম্নচাপ অবস্থান করছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে দক্ষিণবঙ্গে। এর সঙ্গে যোগ…

আরও পড়ুন

বাঁকুড়ায় বনকর্মীদের গুলিতে হাতির মৃত্যু

বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে  বনকর্মীদের গুলিতে মারা পড়ল একটি বুনোহাতি। বন দফতর সূত্রের খবর, মারথার জঙ্গলে হাতিটির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন বনকর্মীরা। হাতিটিকে দেখতে পেয়ে ঘুমপাড়ানি গুলি করা হয়। কিন্তু তাতেও হাতিটি ঘায়েল হয়নি। উল্টে বনকর্মীদের দিকে ধেয়ে আসে হাতিটি। তখন বাধ্য হয়েই তাকে লক্ষ করে চার রাউন্ড গুলি করা হয়। তাতেই মৃত্যু হয় হাতিটির। এ কথা জানান এক জন বনকর্মী। স্থানীয় মানুষজন জানান, গত এক বছর ধরেই এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছিল হাতিটি। তার তাণ্ডবে ৪ জন স্থানীয় বাসিন্দা নিহত হন। প্রচুর সম্পত্তিরও ক্ষতি করে হাতিটা। বন দফতরের গুলিতে বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ে মাস খানেক আগেও একটি হাতির মৃত্যু হয়। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার হাতি মৃত্যুর…

আরও পড়ুন