রায়নার দাপটে তাল কাটল কলকাতার জয়যাত্রায়

0
265

কলকাতা: টি-২০ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান যে তিনি, ফের প্রমাণ করলেন সুরেশ রায়না। তাঁর ব্যাটের জোরে তিন ম্যাচ পর হেরে গেল কলকাতা নাইটরাইডার্স।

কলকাতা যে এ দিন হেরে যাবে, ম্যাচের প্রথম ইনিংস দেখে কল্পনাও করা যায়নি। শুক্রবার টসে জিতে ফিল্ডিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় গুজরাত। সুনীল নারিনকে ফের ওপেনিং-এ তুলে আনে কেকেআর শিবির এবং পঞ্জাব ম্যাচের মতোই শুরু থেকেই তাণ্ডব শুরু করে দেন তিনি। গুজরাত বোলারদের তখন রীতিমতো ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ অবস্থা। প্রথম তিন ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৪০-এর ওপর উঠে গিয়েছে। চতুর্থ ওভারে সুরেশ রায়না নিজেকে বোলিং-এ আনার পরেই যবনিকা পড়ে যায় নারিনের ইনিংসে। নারিনের পর উথাপ্পা-শো। গম্ভীর খুব একটা ভালো ব্যাটিং করতে না পারলেও চেষ্টা করছিলেন উথাপ্পাকে স্ট্রাইক দিয়ে যাওয়ার। গম্ভীর ফিরে যেতে নামেন আগের ম্যাচের হিরো মনীশ পাণ্ডে। কিন্তু তিনিও এ দিন ফর্মে ছিলেন না। অন্ যদিকে হায়দরাবাদ ম্যাচের ‘টাচ’ দেখা যায় উথাপ্পার ব্যাটে। দু’টো ছয় আর আটটি চারের সাহায্যে নিজের ইনিংসটা সাজিয়েছিলেন উথাপ্পা। একটা সময় মনে হচ্ছিল কেকেআর স্বচ্ছন্দে ২১০ পেরিয়ে যাবে, কিন্তু উথাপ্পা ফিরে যেতেই রানের গতি কিছুটা কমে যায়। শেষ দিকের ওভারগুলোতে দুর্দান্ত বোলিং করেন গুজরাতের পেসাররা। বিশেষ করে বাসিল থাম্পি।

জবাবে মারমুখী মেজাজে শুরু করেছিলেন গুজরাতের দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ এবং ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ওপেনারদের দাপটে প্রথম পাঁচ ওভারে গুজরাতের স্কোর ছিল ৬২। মাঝখানে বৃষ্টির ফলে খেলা আধ ঘণ্টা বন্ধ থাকলেও, রানের গতিতে সে ভাবে প্রভাব পড়েনি। কিন্তু নিয়মিত উইকেট তুলে নিচ্ছিলেন কলকাতার বোলাররা। তবে ঠান্ডা মাথায় একটা দিক ধরে রেখেছিলেন রায়না।

একটা সময় গুজরাতের স্কোর হয়ে গিয়েছিল পাঁচ উইকেটে ১২২। জেতার জন্য তখনও দরকার ৬৬। রবীন্দ্র জাদেজাকে সঙ্গে নিয়ে দলের বৈতরণী প্রায় পার করে দেন রায়না। তিনি যখন আউট হন, গুজরাতের তখন দরকার ১৩ বলে আট। বাকি রানটা তুলতে বেশি বেগ পেতে হয়নি গুজরাতকে।

তিন ম্যাচ পর হেরে যাওয়ায় কিছুটা ধাক্কা খেল কেকেআর। রবিবার পরবর্তী ম্যাচ বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here