Search

চিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারবে না ভারত: চিনা গণমাধ্যম

চিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারবে না ভারত: চিনা গণমাধ্যম

বেজিং: পরমাণু অস্ত্র এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপুঞ্জের নির্দিষ্ট করে দেওয়া সীমা ‘লঙ্ঘন’ করেছে ভারত। ভারত যদি এই সুবিধা ভোগ করে তবে পাকিস্তানেরও তা পাওয়া উচিৎ। বলল চিনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস।সম্প্রতি ভারত অগ্নি-৪ ও অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। যেগুলির পাল্লার মধ্যেই পড়ছে চিনের মূল ভূখণ্ড। এই দুই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সমালোচনা করেছে চিনা গণমাধ্যম।

‘আমেরিকা এবং অন্য কয়েকটি পশ্চিমী দেশও পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই সীমা লঙ্ঘন করেছে। নয়াদিল্লি নিজেদের পরমাণু সক্ষমতা নিয়ে খুশি নয়। তারা চায় আন্তর্মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে, যা দুনিয়ার যে কোনো জায়গায় আঘাত হানতে পারে। তবেই তারা নিজেদের রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশের সমকক্ষ মনে করবে’, বলছে গ্লোবাল টাইমস।

চিনা গণমাধ্যম আরও বলছে, ‘ভারত নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ব্যাপারে খুবই আশাবাদী এবং ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছে কারণ তারাই একমাত্র দেশ, যাদের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং আর্থিক শক্তি দুই-ই আছে’।

‘দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির দিক থেকে চিন মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারে না’ বলে বেজিং-কে সতর্ক করেছে গ্লোবাল টাইমস।

তবে এত কিছু বলেও চিনা পত্রিকাটি বলেছে, ‘চিনারা মনে করে না, ভারতের উন্নতিতে তাদের চিন্তার কোনো কারণ আছে’।

গ্লোবাল টাইমস মনে করে, ‘দীর্ঘ মেয়াদে, ভারতকে চিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মনে করার কোনো কারণ নেই’ কারণ দুই দেশের ক্ষমতার মধ্যে বিপুল ফারাক রয়েছে। এই কথার মধ্য দিয়ে চিন যে ভারতের থেকে সামরিক ভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী সেদিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছে গ্লোবাল টাইমস। যদিও তাদের মত, ‘নয়াদিল্লি ও বেজিং-এর মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করার চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না’।

রাষ্ট্রপুঞ্জের নির্দিষ্ট করে দেওয়া সীমা লঙ্ঘন করে চিনে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সমালোচনা করে ওই পত্রিকা বলেছে, পশ্চিমী দেশগুলি ভারতে পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছে, কিন্তু ভারতও পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র নিয়ে যে প্রতিযোগিতা চলছে, আতর থেকে মুখ ফিরিয়ে রয়েছে। কিন্তু চিন তা করবে না। পরমাণু সংক্রান্ত যা বিধা আছে, আত কঠোর ভাবে প্রয়োগ করবে।

চিন ও পাকিস্তানের স্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছে গ্লোবাল টাইমস। বলেছে, ‘ভারত পরমাণু শক্তির উন্নতিতে যে সুবিধা ভোগ করছে, পাকিস্তানেরও তা পাওয়া উচিৎ’।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন