Search

বাংলাদেশে লঞ্চ ডুবে মৃত ১৩, নিখোঁজ অন্তত ১২ জন

বাংলাদেশে লঞ্চ ডুবে মৃত ১৩, নিখোঁজ অন্তত ১২ জন

বুধবার বাংলা দেশের বরিশালে লঞ্চ ডুবে  মৃত্যু হল অন্তত ১৩ জনের। নিখোঁজ ১২ জন। খোঁজ চলছে বাকিদের, জানিয়েছেন বরিশালের এক পুলিশ আধিকারিক জিয়াউল হাসান।

সন্ধ্যা নদীর পাড় ভেঙে ধসে যাওয়া কাদার চাঁই গিয়ে পড়ে তীরে বাঁধা একটি লঞ্চের ওপর। সেখানে তখন ছিলেন প্রায় ৫০ জন যাত্রী। এঁদের মধ্যে কিছু যাত্রী সাঁতরে নিজেদের প্রাণ বাঁচান।

বাংলাদেশের জমি নিচু হওয়ায় এবং সারা দেশ জুড়ে নদীনালার আধিক্য থাকায় এমনিতেই নৌকোডুবির মতো দুর্ঘটনা প্রায় নিয়মিত ঘটে। তার ওপর নেই যথার্থ সুরক্ষার ব্যবস্থাও। লঞ্চের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী ওঠাটা এখানে মোটেও অস্বাভাবিক নয়। প্রত্যেকটা দুর্ঘটনার পর প্রশাসন থেকে নিয়মকানুনকে কঠোর করার শপথ নেওয়া হয়। কিন্তু চোখে পড়ে না বিশেষ কোনো পরিবর্তন।

সাড়ে চার মাসে পথের বলি ২৬৫

ইদের সময় বাংলাদেশে রেল, সড়ক এবং নৌপথে দুর্ঘটনায় ২৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে এক হাজারের বেশি।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি দুর্ঘটনার একটি তালিকা তৈরি করেছে। গত ৭ মে থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর এই ১২ দিনে ১৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪৮ জন। আহত হয়েছন ১ হাজার ৫৬ জন। এই সময় কালের মধ্যে আটটি নৌ-দুর্ঘটনায় ১০ জন মারা গিয়েছেন ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গিয়েছেন সাতজন। চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে আহত হয়েছেন ৫০ জন।

সংস্থার মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, ইদের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত দুর্ঘটনার খবর পর্যবেক্ষণ করে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মতে, এই দুর্ঘটনার কারণগুলি হল, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, ওভারটেকিং, ট্রাফিক আইন না মেনে চলা, চালকের বেপরোয়া মনোভাব, অদক্ষ চালক এবং যাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব।  

প্রথম আলো

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন