Search

শ্লীলতাহানিকে ‘বিশৃঙ্খলা’ বলে নস্যাৎ বেঙ্গালুরুর পুলিশপ্রধানের

শ্লীলতাহানিকে ‘বিশৃঙ্খলা’ বলে নস্যাৎ বেঙ্গালুরুর পুলিশপ্রধানের

বেঙ্গালুরু: অভিযুক্তদের ধরতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদেরই কি বাঁচানোর চেষ্টা করলেন বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার? বর্ষবরণের রাতে ঘটে যাওয়া গণ-শ্লীলতাহানির ঘটনাকে শুধুমাত্র ‘তিরিশ সেকন্ডের বিশৃঙ্খলা’ বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেন শহরের পুলিশ কমিশনার প্রবীণ সুদ।

৩১ ডিসেম্বরের রাতে বেঙ্গালুরুর এমজি রোড আর ব্রিগেড রোডে একাধিক মহিলার শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অন্য দিকে এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ থেকে নারীবিরোধী মন্তব্যও বেরিয়েছে। সেই মন্ত্রী জি পরমেশ্বর রেড্ডি বৃহস্পতিবার অবশ্য বলেছেন, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। 

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুলিশ কমিশনার বলেছেন, আদৌ কোনো শ্লীলতাহানির ঘটনাই ঘটেনি। এমনকি গণ-শ্লীলতাহানির ‘গুজব’ সংবাদমাধ্যমের সৃষ্টি বলে ব্যাখ্যা করেন তিনি। তিনি বলেন, “এমজি রোড এলাকায় প্রচুর লোকের সমাগম হয়েছিল। সেখানে প্রচুর সংখ্যক মহিলাও ছিলেন। ভিড় বেশি হয়ে যাওয়ার ফলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন অনেকে। এর ফলে তাঁরা কান্নাকাটি শুরু করে দেন। এর ফলেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।”

তাঁর ব্যাখ্যার সমর্থনে তিনি বলেন, শ্লীলতাহানির শিকার মহিলারা এখনও কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। কিছু দিন আগেই অবশ্য সম্পূর্ণ উলটো সুরে গেয়েছিলেন সুদ। শ্লীলতাহানির ঘটনার ‘উপযুক্ত প্রমাণ’ পাওয়া গিয়েছে বলে তখন দাবি করেন তিনি।

অন্য দিকে বুধবার নতুন ভাবে প্রকাশ্যে আসা এক মহিলার শ্লীলতাহানির ঘটনায় মূল অভিযুক্ত-সহ চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফুটেজ অনুযায়ী স্কুটারে থাকা যে দু’জন ওই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি চার অভিযুক্তের মধ্যে দু’জন ধরা পড়লেও এখন অধরা দু’জন। তাদের দ্রুত ধরার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।   

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন

মন্তব্য করুন