Search

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৫/ জল্পেশ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৫/ জল্পেশ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা
জল্পেশ মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এক চিলতে কাঞ্চনজঙ্ঘা  শ্রয়ণ সেন: “এই থামো থামো থামো…” আমার আকস্মিক নির্দেশে জোরে ব্রেক কষল সারথি। তড়িঘড়ি গাড়ি থেকে নেমে পড়লাম। আমাকে দেখে বাকিরাও নামল। কিন্তু তখনও জানে না কী ব্যাপার। —“কী রে নামলি কেন?” —“আরে ওই দিকে তাকাও। ওকে দেখা যাচ্ছে।” দূরের পাহাড়ে হালকা মেঘের ওপর থেকে উঁকি মারছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। উত্তরবঙ্গ সফরে এই প্রথম দেখা... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৪/ যাত্রাপ্রসাদে যাত্রাপালা

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৪/ যাত্রাপ্রসাদে যাত্রাপালা
শ্রয়ণ সেন: “ওরে ওকে দ্যাখ সবাই। ও নদী পেরিয়ে চলে যাচ্ছে। নিশ্চয়ই মন খারাপ হয়েছে।” না, কোনো মানুষ নয়। একটি গন্ডার। আপন খেয়ালে নদী পেরিয়ে চলে গেল। সঙ্গী একটি বক। ওর পিঠের ওপরে বসে হেলতে দুলতে যাচ্ছে। অনেকটা দূরত্ব থেকেই তা উপভোগ করে চলেছি আমরা। ডুয়ার্সের দু’টি প্রধান জাতীয় উদ্যান। জলদাপাড়া আর গরুমারা। আগের দিন জলদাপাড়ায় এক গন্ডা গন্ডার দর্শন... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৩/ খয়েরবাড়ির বাঘিনীরা

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৩/ খয়েরবাড়ির বাঘিনীরা
শ্রয়ণ সেন: “হাতি দেখলে আগে খুব ভয় পেতাম, এখন আর পাই না।” কত অবলীলায় এই কথাগুলো বলে ফেলল বছর দশেকের মামণি। খুব সুন্দর একটি ঘণ্টা কাটল আমাদের। মাদারিহাট থেকে বীরপাড়ার দিকে কয়েক কিলোমিটার এলে বাঁ দিকে দিকনির্দেশ খয়েরবাড়ির। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মেঠো পথ। এমন রাস্তা, যেখানে যে কোনো মুহূর্তেই হাতি বেরোতে পারে। নিতান্ত কম দূরত্ব নয়। প্রায় কিলোমিটার দশেক যাওয়ার... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ২/এক গন্ডা গন্ডার দর্শন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ২/এক গন্ডা গন্ডার দর্শন
শ্রয়ণ সেন: “এই যা ময়ূর দেখে ফেললাম!” “হ্যাঁ, তো কী হয়েছে। জঙ্গল সাফারিতে ময়ূর তো দেখবই।” “আরে বুঝতে পারছিস না, এ রকম ভাবে ময়ূর দেখে ফেলা ঠিক না। এখন গন্ডার-টন্ডার না দেখেই ব্যর্থ হয়ে ফিরতে হবে।” —“আরে চিন্তা কোরো না, গন্ডার ঠিক দেখা দেবেই, আমি বলে দিচ্ছি।” –“বলছিস তা হলে। তোর মুখে ফুল-চন্দন পড়ুক।” পিসির সঙ্গে কথোপকথন। জলদাপাড়া উদ্যানে সাফারি... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ১ / বক্সা হয়ে জয়ন্তি

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ১ / বক্সা হয়ে জয়ন্তি
শ্রয়ণ সেন: বাঁধের ওপর বসে ‘বাঁধ ভাঙা’ উপভোগ করছি। না কোনো হেঁয়ালি নয়। আসলে বসে রয়েছি জয়ন্তি নদীর ধারে উঁচু বাঁধটার ওপর। আর উপভোগ করছি চাঁদের হাসির বাঁধ ভাঙা। প্রাক-পূর্ণিমার চাঁদ এখন আকাশে। তার আলোয় চারিদিক আলোকিত হয়ে রয়েছে। কানে আসছে ভুটান পাহাড় থেকে নেমে আসা নদীটির মিষ্টি একটা গর্জন। অথচ দিনটা শুরু হয়েছিল বেশ বিশ্রি ভাবেই। আবহাওয়াই আমাদের ভ্রমণের... আরও পড়ুন

ভাবসাগর পাড়ে গঙ্গাসাগর

ভাবসাগর পাড়ে গঙ্গাসাগর
শক্তি চৌধুরী এসপ্ল্যানেড বিধান মার্কেটের উলটো দিকের বাসস্ট্যান্ড থেকে সকাল সাড়ে ছ’টার বাসের টিকিটটায় সিট নম্বর দেখে নিজেকে বেশ নিশ্চিন্ত লাগল, যাক বসতে পাওয়াটা পাকা। কিন্তু এ কী গেরো! বাসে উঠে দেখি আমার জায়গায় পরম নিশ্চিন্তে বসে এক বিহারি দম্পতি গল্পগুজবে মত্ত। মেজাজটা সক্কাল সক্কাল গেল বিগড়ে। “ইয়ে হমারা সিট হায়, আপলোগ সিট ছোড়ো”, যেন মহাত্মা গান্ধী ইংরেজকে ভারত ছাড়তে... আরও পড়ুন

সবুজের সমুদ্র বাংরিপোসি

সবুজের সমুদ্র বাংরিপোসি
শক্তি চৌধুরী সে দিন সকালে যখন ধৌলি এক্সপ্রেস থেকে বালেশ্বর স্টেশনে নামলাম, আকাশের মুখ তখন বেজার। সারা রাস্তাই মেঘাচ্ছন্ন আকাশ দেখে দেখে আমরাও বেশ ক্লান্ত ও ভীত, গেল বোধহয় ট্যুর-টা। এই বালেশ্বর থেকে বাংরিপোসি যাওয়ার একটা লোকাল ট্রেন আছে সকাল ১১ টা নাগাদ এবং ওটাই সব চেয়ে সহজ উপায়। এ ছাড়াও গুচ্ছ টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যায়।... আরও পড়ুন

নার্সিসাস কাঞ্চনঞ্জঙ্ঘা

নার্সিসাস কাঞ্চনঞ্জঙ্ঘা
দেবারতি গুপ্ত ঠান্ডায় ঠান্ডা জায়গায় ঘুরে এলে ঠান্ডা কম লাগে। এ রকম একটা মন-ভোলানো বিশ্বাস নিয়ে ডিসেম্বরের ১০ তারিখ নাগাদ রওনা দিয়েছিলাম দার্জিলিং মেলে এনজেপি’র উদ্দেশে। আসল গন্তব্য পরে বলছি। কুয়াশায় যথারীতি ট্রেন পৌঁছোতে ঘন্টা খানেক লেট করল। তাতে কী! ততক্ষণে অ্যাডভেঞ্চার শুরু হয়ে গেছে মাথার মধ্যে। কাজেই কোনো কিছুতেই দমছে না মন। এনজেপি থেকে গাড়ি নিয়ে যেতে হবে, ঘন্টা... আরও পড়ুন

সপ্তাহান্তে চলুন জয়রামবাটি-কামারপুকুর

সপ্তাহান্তে চলুন জয়রামবাটি-কামারপুকুর
স্মিতা দাস বিছানায় শুয়ে ঘুম চোখ খুলে চিন্তা আর চাক্ষুষে কোনো মিল পেলাম না। চিন্তায় ভেসে বেড়াচ্ছে শীতের ভোর সাড়ে চারটে, মঙ্গল আরতির সেই তিরতির করে জ্বলা আগুন শিখা। তখন ঘড়িতে ভোর চারটে পনেরো। সবাই মিলে হুড়োহুড়ি করে কোনো রকমে গরম জামা গায়ে চাপিয়ে মায়ের ঘরে যাওয়ার ধুম পড়ে গেল। পুকুরপাড় আর বাগানের মাঝের রাস্তাটা দিয়ে যে যার মতো ছুটছি।... আরও পড়ুন

গ্রামের নাম তিংভং

গ্রামের নাম তিংভং
সঞ্জয় চক্রবর্তী গ্রামের নাম তিংভং। কীসে যাব ? কেন ? এই তো ট্রেনে করে শিলিগুড়ি, সেখান থেকে যাত্রা শুরু। শাটল জিপ ধরে সিংথাম। ওখান থেকে আবার একটা শাটল। গন্তব্য মঙন (মোট পাঁচ ঘন্টা)। তার পর অপেক্ষা। ওখানে গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা ডুপডেন লেপচার। আমি, আপনি ওঁর বাড়ির অতিথি। আমরা যাচ্ছি জংগু। সিকিম তথা ভারতের একমাত্র সংরক্ষিত লেপচা অঞ্চল। ৪৫টা গ্রাম নিয়ে... আরও পড়ুন