Search

অফ-সিজনে পর্যটক টানতে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগমের

অফ-সিজনে পর্যটক টানতে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগমের
কলকাতা:  পর্যটকদের স্বার্থে গত কয়েক বছরে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করেছে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন বিভাগ। তৈরি হয়েছে নতুন কিছু পর্যটক আবাস। অন্য দিকে নব রূপে সজ্জিত হচ্ছে কিছু পুরোনো পর্যটক আবাস। কিন্তু এত কিছু করার পরেও অফ-সিজনের পর্যটক-শূন্যতা পর্যটন উন্নয়ন নিগমের লাভের অঙ্ক অনেকটাই কমিয়ে দিচ্ছে। এই সব মাথায় রেখেই অফ-সিজনে পর্যটক আবাসগুলিতে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছে পর্যটন উন্নয়ন নিগম। উত্তরবঙ্গে বর্ষাকালটা... আরও পড়ুন

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ৩ / দারিংবাড়ি ছাড়িয়ে

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ৩ / দারিংবাড়ি ছাড়িয়ে
শম্ভু সেন : দিনে মালুম হয়নি ততটা। রাতে ঠান্ডা পড়েছিল ভালোই। তাই লেপের মায়া কাটাতে বেশ সময় লাগল। ততক্ষণে সূর্য ঘরবসত জমিয়ে বসেছে। আজ আর তার উদয় দেখা হল না। এই ইকো হোম থেকে সূর্য একটু আড়ালে পড়ে। তাই গেট থেকে বেরিয়ে ঢাল বেয়ে কয়েক পা নেমে এসে পরিত্যক্ত পান্থশালার সামনে আসতে হয়। এই জায়গাটাই হল দারিংবাড়ির অঘোষিত সানরাইজ পয়েন্ট।... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৫/ জল্পেশ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৫/ জল্পেশ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা
জল্পেশ মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এক চিলতে কাঞ্চনজঙ্ঘা  শ্রয়ণ সেন: “এই থামো থামো থামো…” আমার আকস্মিক নির্দেশে জোরে ব্রেক কষল সারথি। তড়িঘড়ি গাড়ি থেকে নেমে পড়লাম। আমাকে দেখে বাকিরাও নামল। কিন্তু তখনও জানে না কী ব্যাপার। —“কী রে নামলি কেন?” —“আরে ওই দিকে তাকাও। ওকে দেখা যাচ্ছে।” দূরের পাহাড়ে হালকা মেঘের ওপর থেকে উঁকি মারছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। উত্তরবঙ্গ সফরে এই প্রথম দেখা... আরও পড়ুন

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ২ / দারিংবাড়ির প্রেমে

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ২ / দারিংবাড়ির প্রেমে
ইকো হোম থেকে শম্ভু সেন: দুপুরের খাওয়াটা বেশ জম্পেশ হল। অনিলবাবু আপশোশ করছিলেন মাছ খাওয়াতে পারছেন না বলে। এই দারিংবাড়িতে মাছ জোগাড় করা ততটাই দুষ্কর যতটা দুষ্কর ডুমুরের ফুল জোগাড় করা। তাই শেষ চেষ্টা করেছিলেন দিব্যকে দিয়ে মাছ জোগাড় করার। কিন্তু দুপুর সাড়ে ১২টায় আসকার বাজারে মাছ পাওয়া যাবে, সেখানকার মৎস্যাসক্তির এমন খ্যাতি আছে বলে আমার অন্তত জানা নেই। আমিষ... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৪/ যাত্রাপ্রসাদে যাত্রাপালা

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৪/ যাত্রাপ্রসাদে যাত্রাপালা
শ্রয়ণ সেন: “ওরে ওকে দ্যাখ সবাই। ও নদী পেরিয়ে চলে যাচ্ছে। নিশ্চয়ই মন খারাপ হয়েছে।” না, কোনো মানুষ নয়। একটি গন্ডার। আপন খেয়ালে নদী পেরিয়ে চলে গেল। সঙ্গী একটি বক। ওর পিঠের ওপরে বসে হেলতে দুলতে যাচ্ছে। অনেকটা দূরত্ব থেকেই তা উপভোগ করে চলেছি আমরা। ডুয়ার্সের দু’টি প্রধান জাতীয় উদ্যান। জলদাপাড়া আর গরুমারা। আগের দিন জলদাপাড়ায় এক গন্ডা গন্ডার দর্শন... আরও পড়ুন

শান্তিনিকেতন থেকে শক্তি পীঠ, রাজ্য পর্যটনের ‘শক্তি ট্রেল’ প্যাকেজে

শান্তিনিকেতন থেকে শক্তি পীঠ, রাজ্য পর্যটনের ‘শক্তি ট্রেল’ প্যাকেজে
কলকাতা: দোলের সময় শান্তিনিকেতন যেতে চান অনেকেই, কিন্তু হোটেলে জায়গার অভাবে সেটা হয়ে ওঠে না। দুঃখ করবেন না, দোলের এক সপ্তাহ পরেই পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের প্যাকেজে ঘুরে আসুন শান্তিনিকেতন। শান্তিনিকেতনের পাশাপাশি বীরভূমের সতী পিঠ বা শক্তি পিঠ দেখানোর ব্যবস্থা থাকছে এই প্যাকেজে। দু’রাত তিন দিনের এই প্যাকেজ শুরু হবে ১৭ মার্চ। সকাল আটটায় বিবাদী বাগের ট্যুরিজম সেন্টার থেকে বাস... আরও পড়ুন

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ১/ দারিংবাড়ির পথে

তিন দিনের অজ্ঞাতবাস ১/ দারিংবাড়ির পথে
শম্ভু সেন: দার্জলিং অটো স্ট্যান্ড — চৌমাথায় এক কোণায় একটা সাইনবোর্ডে জ্বল জ্বল করছে। বাহ! এ যে দেখি একই আধারে দার্জিলিং আর কাশ্মীর। অটো স্ট্যান্ডের সাইনবোর্ডে লেখা দার্জলিং আর লোকের মুখে আদরের ডাকনাম কাশ্মীর –- ওড়িশার কাশ্মীর। কোথাও যাওয়ার আগে সবাই মনে মনে একটা ছবি আঁকে সেই জায়গার। আমিও এঁকেছিলাম। বলতে দ্বিধা নেই, ছবিটা মিলল না। ভেবেছিলাম খুশবেড়ানোওয়ালাদের মহলে একটু... আরও পড়ুন

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৩/ খয়েরবাড়ির বাঘিনীরা

উত্তরবঙ্গের ডায়েরি ৩/ খয়েরবাড়ির বাঘিনীরা
শ্রয়ণ সেন: “হাতি দেখলে আগে খুব ভয় পেতাম, এখন আর পাই না।” কত অবলীলায় এই কথাগুলো বলে ফেলল বছর দশেকের মামণি। খুব সুন্দর একটি ঘণ্টা কাটল আমাদের। মাদারিহাট থেকে বীরপাড়ার দিকে কয়েক কিলোমিটার এলে বাঁ দিকে দিকনির্দেশ খয়েরবাড়ির। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মেঠো পথ। এমন রাস্তা, যেখানে যে কোনো মুহূর্তেই হাতি বেরোতে পারে। নিতান্ত কম দূরত্ব নয়। প্রায় কিলোমিটার দশেক যাওয়ার... আরও পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের পুরী প্যাকেজ

পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের পুরী প্যাকেজ
কলকাতা: এই প্রথম নিজস্ব প্যাকেজে পুরী নিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগম। চার রাত্রি পাঁচ দিনের এই সফর হবে ভলভো বাসে। প্রথম দিন রাত সাড়ে আটটায় বিবাদী বাগের পর্যটন উন্নয়ন নিগমের অফিস থেকে বাস ছাড়বে। দ্বিতীয় দিন সকাল সাড়ে সাতটায় পুরী পৌছোনো। পর্যটকরা উঠবেন পুরীর পান্থনিবাসে। ওইদিন পর্যটকরা নিজেদের মতো করে পুরী ঘুরে নেবেন। তৃতীয় দিন লোকাল সাইটসিয়িং। কোনারক, উদয়গিরি,... আরও পড়ুন

অনেক তিতির কান্নার মাঠ পেরিয়ে — ভোরম দেও মন্দির/২

অনেক তিতির কান্নার মাঠ পেরিয়ে — ভোরম দেও মন্দির/২
মৈত্রী মজুমদার সকাল সকাল রওনা হয়েছিলাম মান্দলা টাউন ছেড়ে। উদ্দেশ্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভোরম দেও মন্দির পৌঁছনো। ভোরম দেও মন্দিরকে মিনি খাজুরাহ বলা হয় স্থানীয় ভাবে। একথা শোনার পর থেকেই মনের মধ্যে এক ধরনের মিশ্র প্রতিক্রিয়া চলছিল। কিন্তু ১২এ জাতীয় সড়ক ধরে অল্প এগোনোর পর থেকেই সেই একই নেশার ঘোর লাগল চোখে। চারদিকে জঙ্গলের আবহ, সারি সারি পর্ণমোচী গাছের মাথায়... আরও পড়ুন