Search

মকর সংক্রান্তি, এক উৎসব, বহু নাম

মকর সংক্রান্তি, এক উৎসব, বহু নাম
শম্ভু সেন: সাধুসন্ত, পুণ্যকামী মানুষজন ভিড় জমিয়েছেন গঙ্গাসাগরে। আজ শনিবার মকর সংক্রান্তি। ভোর থেকেই চলছে সাগরসঙ্গমে পুণ্যস্নান। শুধু গঙ্গাসাগর কেন, কলকাতা, হরিদ্বার, প্রয়াগ, বারাণসী-সহ গঙ্গাতীরবর্তী সব শহরেই চলছে এই স্নান। লাখ লাখ মানুষ গঙ্গাস্নান করে পুণ্য অর্জন করছেন। মকর সংক্রান্তিতে নাকি ‘গঙ্গাস্নান’ করতে হয়, ব্রাহ্মণ্যতন্ত্রের এই বিধান। কিন্তু যেখানে গঙ্গা নেই, সেখানে ? সেখানকার মানুষ কি এই পুণ্য থেকে বঞ্চিত... আরও পড়ুন

বাসন্তীর সেন্ট তেরেজা গির্জা মেতে উঠেছে বড়োদিনের উৎসব

বাসন্তীর সেন্ট তেরেজা গির্জা মেতে উঠেছে বড়োদিনের উৎসব
পাপিয়া মিত্র : আজ ২৪ ডিসেম্বর। আর কয়েক ঘণ্টা। তার পরেই রাত ১১টায় ভক্ত সমাগমে পূর্ণ হয়ে উঠবে গির্জা। গাওয়া হবে খ্রিস্টমাস ক্যারল। আসবে সেই পুণ্য ক্ষণ। যিশুর জন্ম মুহূর্ত। রাত ১২টায় প্রধান পুরোহিত শোনাবেন যিশুর বাণী। পাশাপাশি ৮৬তম বর্ষপূর্তিতে মেতে উঠবে বাসন্তী চার্চের দীপ। তাই সেজে উঠেছে বাসন্তীর গির্জা।        বিশ্বায়নের আঁচ লেগেছে হোগল নদীর কোলে। শীতের রোদ গায়ে... আরও পড়ুন

এ বার বড়িশার চণ্ডীপুজো ২২৪ বছরে, জোর চলছে মেলা

এ বার বড়িশার চণ্ডীপুজো ২২৪ বছরে, জোর চলছে মেলা
পাপিয়া মিত্র রমরমিয়ে চলছে বড়িশার চণ্ডীমেলা। এখানকার চণ্ডীপুজো এ বার ২২৪ বছরে পড়ল। এ বার মায়ের মূর্তির আবরণ উন্মোচন করলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের দিলীপ মহারাজ। প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই পুজো ১২০০ বঙ্গাব্দে সাবর্ণ চৌধুরী বংশের সন্তান মহেশচন্দ্র রায়চৌধুরী শুরু করেন। অগ্রহায়ণের শুক্লাষ্টমীতে এই পুজো হয়। পারিবারিক এ পুজো তিন দিনে সীমাবদ্ধ ছিল। পারিবারিক পুজোর সুবাদে তখন এত সমারোহ ছিল না। পাঁঠাবলির... আরও পড়ুন

দেবসেনাপতি কার্তিকের উৎস সন্ধানে

দেবসেনাপতি কার্তিকের উৎস সন্ধানে
পাপিয়া মিত্র   কার্তিকঠাকুর হ্যাংলা, একবার আসে মায়ের সঙ্গে, একবার আসে একলা। যতই এ সব কথা লোকসমাজে বলা হোক না কেন, দুগগামায়ের বাকি ছেলেমেয়েকে নিয়ে কিন্তু এত লেখালিখি হয়নি। কার্তিককে নিয়ে পৌরাণিক বা লৌকিক কথন শুরু করলে শেষ করতে বেশ অসুবিধেই হবে। তাই সামান্য ক’টি কথা আজ শুনিয়ে রাখি। কার্তিকেয় বা কার্তিক হিন্দুদের যুদ্ধদেবতা। শিব ও দুর্গার কনিষ্ঠ সন্তান। বৈদিক... আরও পড়ুন

হিমেল মাদকতায় রাস উৎসবে ভক্তের ঢল

হিমেল মাদকতায় রাস উৎসবে ভক্তের ঢল
পাপিয়া মিত্র ভজনকুটিরে নিকোনো উঠোনে ঝাঁপিয়ে পড়ছে জ্যোৎস্না। এ জ্যোৎস্না কার্তিকপূর্ণিমার, এ জ্যোৎস্না বড় প্রিয় বৈষ্ণবদের। উঠোনে স্নিগ্ধ আলপনা। ঈশান কোণে টাঙানো চাঁদোয়া, এক দিকে মঞ্জরিভরা তুলসীগাছ। বড়ো মায়াময় এ ছবি। তার থেকেও বড়ো প্রেমময় চাঁদোয়ার নীচে রাধাকৃষ্ণের যুগল বিগ্রহ। এ রাতেই বৈষ্ণবদের প্রাণের রাস উৎসব উদ্‌যাপিত হয়। বৃন্দাবনে কার্তিকজ্যোৎস্নায় শ্রীকৃষ্ণ গোপিনীদের সঙ্গে নৃত্যগীতে মাততেন। সব গোপিনীরা নিজের সঙ্গি হিসেবে... আরও পড়ুন

ভাইফোঁটা : যম-যমুনার পুরাণকাহিনি থেকে নন্দীবর্ধন-অনসূয়ার ইতিহাস

ভাইফোঁটা : যম-যমুনার পুরাণকাহিনি থেকে নন্দীবর্ধন-অনসূয়ার ইতিহাস
পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় কথায় বলে বাঙালির জীবনে ‘বারো মাসে তেরো পার্বণ’ – বাঙালির কাছে বড়ই প্রিয় এবং পবিত্র তার উৎসবের আয়োজন, অনুষ্ঠান এবং আনন্দ। প্রতি বছর কার্তিক মাসের অমাবস্যার পরে দ্বিতীয়া তিথিতে বাংলার ঘরে ঘরে অনুষ্ঠিত হয় ভাইফোঁটা, যার পোশাকি নাম ‘ভ্রাতৃদ্বিতীয়া’। এদিন সকালবেলাতেই স্নান করে, সুন্দর সুন্দর পোশাক পরে, সেজেগুজে নানান বয়সের ভাইবোনেরা মেতে ওঠে উৎসবে। যদিও উৎসবের আয়োজন শুরু... আরও পড়ুন

পেটকাটি, চাঁদিয়াল, মোমবাতি… যেন এক আকাশ উৎসব

পেটকাটি, চাঁদিয়াল, মোমবাতি… যেন এক আকাশ উৎসব
  পাপিয়া মিত্র এক ঝাঁক রঙিন কাগজের টুকরোয় আকাশ ছেয়ে। এই আকাশভরা দিনের তারারা দিনক্ষণ দেখে উদয় হয়। বছরে একবার কি দু’বার। একটা সময় ছিল যখন সরস্বতীপুজোতেও ঘুড়ি উড়তে দেখা যেত। কিন্তু এখন শুধু বিশ্বকর্মাপুজোতে ভাদ্রের আকাশ রঙিন হয়। গণেশচতুর্থীর পরে আর এক পুরুষ-দেবতার পুজো, বিশ্বকর্মাপুজো।   এক সময় কারখানা নামক কর্মমন্দিরে এই পুজোর বিপুল আয়োজন হত। আমোদ-উল্লাস, বোনাসের মোটা... আরও পড়ুন

ঝুলন থেকে রাখি, রাখি থেকে রবীন্দ্রনাথ

ঝুলন থেকে রাখি, রাখি থেকে রবীন্দ্রনাথ
পাপিয়া মিত্র সদর দরজাতে সাদা কাগজে আলতা দিয়ে লেখা ‘ঝুলন দেখে যান’, ‘পয়সা দিয়ে যান’– ইত্যাদি স্লোগান।  দেখে তো ঠাকুরদার চোখ কপালে। এ কী ছেলেখেলা? ঠাকুমা গলা উঁচিয়ে পাল্টা দেন, খেলাই তো! তোমাদের কেষ্ট যদি… ময়দানে নামেন মা। মানে মধ্যস্থতা। ঠাকুরদা-ঠাকুমা দ্বৈরথ থামে। মায়ের সংসারে টান পড়ত। কড়াইয়ের চার ধারে মাটি দিয়ে পুকুর বানানো হত। তাতে ভাসিয়ে দেওয়া হত মাজনে... আরও পড়ুন

এই শ্রাবণে বড়কাছারি

এই শ্রাবণে বড়কাছারি
পাপিয়া মিত্র অবিশ্রাম বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ভক্তের দল চলেছে উল্টো পথে। কাঁধে বাঁক, পরনে নতুন জামাকাপড়, মুখে ব্যোম ব্যোম তারক ব্যোম /বোলে ব্যোম তারক ব্যোম।  জয় বাবা বড়কাছারির জয়। উল্টো পথ এই কারণে, এ পথ তারকেশ্বরের নয়। এ পথ বড়কাছারির, দক্ষিণ ২৪পরগনার  ঠাকুরপুকুর থেকে প্রায় এগারো কিলোমিটার দূরে। কথায় বলে ভক্তের টানে ভগবান জাগ্রত হন। লোকমুখে ছড়িয়ে গিয়েছে বাবার থানের... আরও পড়ুন

দাদা রথ টানবে ? রশিতে টান দিয়ে মেতেছে শিশুরা

দাদা রথ টানবে ? রশিতে টান দিয়ে মেতেছে শিশুরা
শ্রয়ণ সেন বাজার যাব বলে বাড়ি থেকে বেরোতেই, ‘দাদা দাদা’ চিৎকার করে ছেঁকে ধরল দু’জন। একটি ছেলে আর একটি মেয়ে। বোঝা যাচ্ছে ভাইবোন। দু’জনের বয়সই দশের কোঠা পেরোয়নি। কী ডিমান্ড তাদের? চাঁদা? কিন্তু সরস্বতী পুজো তো সেই সামনের বছর। ভুল ভাঙল। দাদা, রথ টানবে? দু’জনে রথ নিয়ে বেরিয়েছে। আমার কাছে আব্দার, যদি একটু রথের দড়িটা টেনে দিয়ে জগন্নাথের দর্শন করি।... আরও পড়ুন