khabor online most powerful bengali news

‘অসমাপ্ত’ জীবনের গল্প

পৃথা তা জীবন মানেই চির অসমাপ্ত এক গল্প। ‘শীর্ষেন্দু’র কোন নতুন নভেলে’- এক অসমাপ্ত গল্পের ছত্রে ছত্রে নিখুঁত বর্ণনা করেছিলেন তিনি। আর সেই ‘আশ্চর্য ভ্রমণ’-এর মত আধা-বাস্তব উপন্যাসকে পুঁজি করেই এবার পর্দায় গল্প বলতে মাতলেন পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়। বাংলা ছবিতে বরাবর ‘অন্য’ধারার গল্পকে অন্য আঙ্গিকে বলেন সুমনবাবু। অতীতে নবারুণ ভট্টাচার্যের মত লেখকের লেখা নিয়ে কাজ করতে সাহস দেখিয়ে তিনি তাঁর এই ধরনকে প্রমাণও করেছেন। এই ছবি নিয়েও দর্শকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মত। অনেকেরই ‘শেষের কবিতা’-র গল্প বলার ধরন বেশ ভালো লেগেছিল। অসমাপ্ত ছবিতেও তিনি তাঁর দর্শকদের নিরাশ করেননি। সাহিত্য ও সিনেমা কোথাও তাদের মাধ্যমের প্রেক্ষিতে একে অপরকে অতিক্রম করে…

আরও পড়ুন

তেরঙা প্রেমের দড়ি বেয়ে পার্সি ব্যবসায়ীকে হাঁটালেন বিশাল ভরদ্বাজ

প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী হায়দার ছবিতে কাশ্মীরের পটভূমিকায় খুদে শহিদ কাপুরের চিকিৎসক বাবাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি কোন পক্ষে ? উত্তরে সেই মাঝবয়সি মানুষটি বলেছিলেন, ‘জীবনের পক্ষে’। আর ‘রেঙ্গুন’-এ পৌঁছে যুবক শহিদ বললেন, “বাইরের শত্রুকে চিনতে পারা যায়। কিন্তু ঘরের শত্রুকে চেনা যায় না”। সেখানেই না থেমে, জমাদার (নাকি ক্যাপ্টেন) নবাব মালিক বলে দিলেন, নিজের জীবনের চেয়ে দামি সেটাই, যার জন্য প্রাণ দেওয়া যায়। প্রতুলের গান যেন, ‘বেচো না বেচো না বন্ধু, তোমার চোখের মণি’। ব্যস। আর কি বলব রেঙ্গুন ছবি নিয়ে। সিনেমা দেখে ঘরে ফিরে বিশাল ভরদ্বাজের ফিল্মোগ্রাফি দেখছিলাম উইকিপিডিয়ায়। যেহেতু সিনেমা জগতের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এসব মনে থাকার…

আরও পড়ুন

এখন যাঁরা অভিনয় করেন তাঁরা নাকি দারুণ অভিনয় করেন: চিরঞ্জিত

(প্রায় চল্লিশ বছর ধরে প্রতিটা শ্বাস-প্রশ্বাসে বেঁচে আছেন বাংলা সিনেমার সঙ্গে। শুরু থেকেই বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে সফল নায়ক। সাধারণ মানুষের প্রিয় হিরো, পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছে অন্য ধারার চলচ্চিত্রেও তিনি সফল অভিনেতা। তাঁর চিত্র-পরিচালনায় তৈরি হওয়া সিনেমাও পেয়েছে বাণিজ্যিক সাফল্য। যদিও কৈশোর থেকে তাঁর বেড়ে ওঠার মধ্যে দিয়ে যে সিনেমার স্বপ্ন তিনি মনে মনে লালন করেছেন, নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন তা থেকে গিয়েছে প্রায় অধরাই। দূরদর্শনের সংবাদপাঠক হিসেবে শুরু করে দু’শোর বেশি সিনেমার তারকা হয়ে ওঠার মধ্যে দিয়ে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী চষে ফেলেছেন বাংলা সিনেমার অন্তরমহল, অলিগলি থেকে বহির্জগত। ‘খবর অনলাইন’-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকে উঠে এল বাংলা সিনেমার আজ-কাল-পরশুর…

আরও পড়ুন

‘সতী’ ছবিতে ৪১ দিন ডেট নিয়ে ৫ হাজার দেবে বলেছিল, করিনি: চিরঞ্জিত

(প্রায় চল্লিশ বছর ধরে প্রতিটা শ্বাস-প্রশ্বাসে বেঁচে আছেন বাংলা সিনেমার সঙ্গে। শুরু থেকেই বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে সফল নায়ক। সাধারণ মানুষের প্রিয় হিরো, পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছে অন্য ধারার চলচ্চিত্রেও তিনি সফল অভিনেতা। তাঁর চিত্র-পরিচালনায় তৈরি হওয়া সিনেমাও পেয়েছে বাণিজ্যিক সাফল্য। যদিও কৈশোর থেকে তাঁর বেড়ে ওঠার মধ্যে দিয়ে যে সিনেমার স্বপ্ন তিনি মনে মনে লালন করেছেন, নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন, তা থেকে গিয়েছে প্রায় অধরাই। দূরদর্শনের সংবাদ পাঠক হিসেবে শুরু করে দু’শোর বেশি সিনেমার তারকা হয়ে ওঠার মধ্যে দিয়ে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী চষে ফেলেছেন বাংলা সিনেমার অন্তরমহল, অলিগলি থেকে বহির্জগত। ‘খবর অনলাইন’-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার নির্যাস থেকে উঠে এল বাংলা সিনেমার…

আরও পড়ুন

আরেক গুজরাতের গল্প বলতে খান আর সিদ্দিকি মুখোমুখি…

দেবারতি গুপ্ত একে গুজরাত, তায় মুসলিম মাফিয়া ডন হিরো; তায় আবার কিসের ধান্দা করে না দেশি মদের! যেখানে এখনও দেশীয় মদের কারবারে মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে, যে রাজ্যের হিন্দু মুসলিম দাঙ্গার ঘা এখনো শুকোয়নি আমাদের প্রজন্মের মাথা থেকে আর অবশ্যই যে রাজ্যের প্রাক্তন উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদী মুখ্যমন্ত্রী আমাদের জন গণ মনের অধিনায়ক হয়ে বসেছেন — সেই রাজ্যের রবিনহুডের গল্প কি না রইস! শোনা যায় আশির দশকের কুখ্যাত ডন, মদের ব্যবসায়ী আবদুল লতিফের জীবনের ছায়া নিয়ে রইসের কাহিনি বুনেছেন পরিচালক রাহুল ঢোলাকিয়া। যে আবদুল লতিফের এন্তার যোগাযোগ ছিল দাউদের সঙ্গে। ৯৩-এর মুম্বই ব্লাস্টের আর ডি এক্স চালানকারী হিসেবে যার জেল ও…

আরও পড়ুন

আশা রাখি পেয়ে যাব বাকি দু’আনা

মধুমন্তী চট্টোপাধ্যায় ছবির নাম ‘দ্য বংস এগেন’। অতএব বোঝাই যাচ্ছে ‘বংস’রা আগেও এসেছিলেন। অঞ্জন দত্তের হাত ধরেই এসেছিলেন বছর দশেক আগে। তবে মুক্তি পাওয়ার আগেই পরিচালক জানিয়েছেন, তাঁর নতুন ছবি ‘দ্য বং কানেকশন’-এর সিকোয়েল নয়।  তাই মিল কিংবা অমিল খুঁজে সময় নষ্ট করবেন না। তবে দশ বছরে কতটা পালটাল ‘বংস’ নামের এই আধা-বাঙালি-আধা-বহুজাতিক সম্প্রদায় ? ইংরেজি বলার ফ্রিকোয়েন্সি বেড়েছে নিঃসন্দেহে। আর বেড়েছে যখনতখন নিজের শেকড় খোঁজার একটা ওপর-ওপর ইচ্ছে। কলকাতার মেয়ে ওলি তার না-দেখা বাবার খোঁজে যখন পাড়ি দিচ্ছে বিলেত, সে দেশ থেকে তিন মাসের ভিসা নিয়ে সারা আসছে কলকাতায় তার আসল মাকে দেখতে। কিন্তু অস্তিত্বের এই সংকট তো শুধু…

আরও পড়ুন

২০১৭-র গুরুত্বপূর্ণ বলিউড ফিল্ম: বেছে নিন

নতুন বছরের প্রাক্কালে এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক বছরভর বলিউডের কী কী নতুন ছবি মুক্তি পেতে চলেছে………… ১) ২৫ জানুয়ারি বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ‘রইস’ মুক্তি পেতে চলেছে। ছবির পরিচালক রাহুল ঢোলাকিয়া। এসআরকে-র বিপরীতে রয়েছেন মহিরা খান। ২) ২৫ জানুয়ারিতেই মুক্তি পাবে ঋত্বিক রোশনের ‘কাবিল’। নায়িকা ইয়ামি গৌতম। পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তা। ৩) ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে অক্ষয় কুমারের ছবি ‘জলি এলএলবি-টু’ ৪) ২৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে সইফ আলি খান, সইদ কাপুর আর কঙ্গনা রানাওতের ‘রাঙ্গুন’। পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। ৫) ১৭ মার্চ মুক্তি পাবে সৃজিত মুখার্জির প্রথম হিন্দি ছবি ‘বেগম জান’। পরিচালকের বাংলা ছবি রাজকাহিনির হিন্দি রিমেক বেগম জান। ছবিতে আছেন বিদ্যা বালন ও নাসিরউদ্দিন…

আরও পড়ুন

দঙ্গল – সার্থক মূলধারা

দেবারতি গুপ্ত মোদ্দা কথা হল মেডেল লানে কে লিয়ে কোই হেল্প নহি করতা… মেডেল লা নহি পাও তো গালি সব দেতে হ্যায় আমি দঙ্গল দেখে এই সার কথাটাই (আরো একবার) বুঝে নিয়েছি। আরো একবার লিখলাম কারণ প্রতিটা স্পোর্টস মুভিরই এটাই মূল মন্ত্র। আর লেখাটা ব্র্যাকেটে মোড়া কারণ বেশির ভাগই শুনলাম ছবিটি দেখে নিদান দিয়েছেন যে ভারতবর্ষে আজ অবদি হওয়া শ্রেষ্ঠ স্পোর্টস মুভি এইটেই। অভিব্যক্তির বাকিটা ব্যক্তিগত! এতদিন ভারতে স্পোর্টসের মতোই (ক্রিকেটকে ‘তুমি তো তেমন আন্তর্জাতিক নও বললে’ যদি কষ্ট পান আমার কিছু করার নেই) স্পোর্টস মুভিও পিছিয়ে থাকা ছিল। সেই খরা কাটিয়ে গেল কয়েক বছরে এই ধারার সিনেমার হিরিক বেশ…

আরও পড়ুন

ফেলুদা হয়তো পাশ করল এবার

পৃথা তা বাঙালির, পরনে গামছা হলেও এখনও গায়ে ঠাকুরদাদার শালটা রয়ে গেছে। তারই অন্যতম প্রধান নকসাগুলির মধ্যে একটি হল সত্যজিৎ আর তাঁর সৃষ্টি। আমাদের তর্কের বর্ম, ছেলেবেলার নস্টালজিয়া, সবটাই এখনও বেশ আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে এটার ভিতর। হলে এবার প্রথম দিনেই বেশ কিছু কচিকাঁচার ভিড় দেখা গেল বাবা মায়ের সঙ্গে। মধ্যভাগে তাদের পাঁচ-ছ’ জনের সাথে আলাপ করে জানা গেল, ১ জন বাদে কারোর-ই পড়া নেই ফেলুদা । যে একজনের পরা তারও কমিকসে ইংরিজি ভাষায়। তবে হুগলি নদীর ওই পাড়ে যে অনেক বড় পশ্চিমবঙ্গ পড়ে আছে সেখানে অনেক বাংলায় ফেলুদা পড়া ছেলেপিলেও কিন্তু হলমুখো হয়েছিল এবারে। বার বার ছবির ইউএসপি করা হয়েছে…

আরও পড়ুন

রাজ অনুগ্রহপ্রার্থী, সাজেশন মানা ঝকঝকে ব্যোমকেশ

পৃথা তা : মাস দুই আগেই ঘুরে গেছে ‘ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা’। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই হলে ফের সত্যান্বেষীর হানা ‘ব্যোমকেশ পর্ব’-র মলাট গায়ে । তবে এসব ক্ষেত্রে কিছু দর্শক হন একেবারেই ব্যাক্তি গোয়েন্দার ভক্ত আর কিছু সিনেমার। তাই হলমুখো দর্শক প্রথম দিন উপচে না পড়লেও ভিড় মন্দ হল না। মাল্টিপ্লেক্সগুলির কথা অবশ্য আলাদা। তাছাড়া অরিন্দম শীলের ছবি নিয়েও দর্শকদের আলাদা প্রত্যাশা থেকেই যায়। এবারে সে প্রত্যাশা যে ছোঁয়া যায়নি বললে ভুল হবে, তবে ছবি ‘হিট’ করানোর এত সহজ রাস্তায় না হাঁটলেও পারতেন অরিন্দমবাবু। কারণ প্রথমত, ব্যোমকেশের এই গল্পটির চাল খুবই স্বতন্ত্র। দ্বিতীয়ত, পাশাপাশি আরও একজন ঠিক এই সহজ পন্থা…

আরও পড়ুন