Search

ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত

ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত
পাপিয়া মিত্র: শীত-তপ্ত দুপুরে মাদকতার মায়াজাল ছড়িয়ে দূর থেকে ভেসে আসছে রবি-কথার গানখানি। অনেক দিনের মনের মানুষ যেন এলে কে। কে এসেছিল, আর কে বা আসবে? এই মাতাল করা প্রান্তিক পথে সে এক রাখালিয়া বীণা বাজায় তন্ত্রীতে। সে যে পুষ্প-পাগল, রঙের আগলভাঙা প্রেম-তরঙ্গের বসন্ত। হে বসন্ত, ফাগুন হাওয়ায় মত্ত হয়ে মানব-কুটিরের মনে তুলছ সুরের ঝরনা। উড়ে যায় তোমার উত্তরি, ওগো... আরও পড়ুন

বাংলায় পাপেটের জনক শিল্পী শৈল চক্রবর্তীকে জন্মদিনে প্রণাম

বাংলায় পাপেটের জনক শিল্পী শৈল চক্রবর্তীকে জন্মদিনে প্রণাম
পাপিয়া মিত্র কয়েক বছর আগেও শহরে দেখা যেত পুতুল নাচ। সুতোয় টানা সেই পুতুল এ-দিক ও-দিক তাকায় আর বাজনার সঙ্গে নাচে। ভিড় উপচে পড়া মেলার সে এক ছিল মজার অনুষঙ্গ। আমাদের দেশে বাজনার সঙ্গে পুতুলনাচ শুরু করেছিলেন শৈল চক্রবর্তী। তবে তিনি একা নন, সঙ্গে ছিলেন আর এক শিল্পী রঘুনাথ গোস্বামীও। তবে শুধু পুতুলনাচ নয়, কার্টুনশিল্পী, চিত্রশিল্পী, পুতুলশিল্পী ও গ্রন্থকার শৈল... আরও পড়ুন

এক চুমুক চায়ে সব কিছু চাই

এক চুমুক চায়ে সব কিছু চাই
পাপিয়া মিত্র : এক কাপ চা মুখে তুলতেই মনে পড়ে যায়…। সত্যি এক কাপ চা মুখে তুলতে কত কী না মনে পড়ে। এক কাপ ধূমায়িত চায়ের তৃপ্তি কত কালজয়ী সম্পর্ক নিগূঢ় করে। দীর্ঘ পথশ্রান্তের কাছে এই মহার্ঘ্য তরলটি কোন সুদূরের বিশল্যকরণী হয়ে যে দেখা দেয় তা যিনি পান করেন তিনিই জানেন। পাত্রের তল থাকলেও তলানিটুকু আর পড়ে থাকে না। কালকা... আরও পড়ুন

শীত আসছে

শীত আসছে
পাপিয়া মিত্র : মায়ের আদরের মতোই গায়ে লেপটে আছে শীতের চাদরখানা। নকশিকাটা র‍্যাপারের নিবিড় পরশ নিতে সে আসছে গুটিগুটি পায়ে। হেমন্তের বাতাসে বার্তা খানিক রটেছে বটে, তবুও এই আগমন যেন কিছুটা ধীর। মমতাময়ী মায়ের মতো অপার করুণা বর্ষণ করতে করতে তার পদ-সঞ্চালনা। মাঠে মাঠে ধান কাটার প্রস্তুতি চলছে। আসন্ন ফসল জন্ম দেওয়ার আনন্দে পোয়াতি ধানগাছগুলো আরও একবার দুলে উঠছে তিরতিরে... আরও পড়ুন

আমার পুজো দেখা

আমার পুজো দেখা
দীপঙ্কর ঘোষ ষষ্ঠীর কলকাতা। শহর-ভাঙা জনস্রোত আলো আর গানে মণ্ডপে মপ্নদপে উপচে পড়েছে। পথের দু’পাশে বাতিস্তম্ভ নতুন সাজে সেজে ঘাড় বেঁকিয়ে গর্বিত ভাবে নতুন পোশাক-পরা জনতার চোখ ঝলসে দিচ্ছে। খালপারে আমার আড়াই তলার ছোট্ট একচিলতে বারান্দায় বসে আছি। দূরে ঝাপসা চাঁদ উঠেছে। মেঘেরা তার আলোটুকু চারপাশে ঘিরে আগলে রেখেছে। কানে আসছে ভেঁপুর আওয়াজ। ভাবছি প্রতিমা দেখতে বেরোবো কিনা। এমন সময়... আরও পড়ুন

পুজোর ভোগ থেকে বিপর্যয়ের আহার

পুজোর ভোগ থেকে বিপর্যয়ের আহার
পাপিয়া মিত্র   খিচুড়ি শব্দটা শুনলেই মনে হয় সব যেন গণ্ডগোল হয়ে গেল। হবে নাই-বা কেন? সেই তো কবেকার কথা। বড়োদের ফেলে রাখা কাজে হাত দেওয়া মানেই খিচুড়ি পাকিয়ে দেওয়া আর পিঠে দুমদুমাদুম পড়া। কিন্তু এই শব্দটাই যে আমাদের কত বিপদ থেকে মান বাঁচিয়েছে তা বলে শেষ করা যাবে না। সব শ্রেণির অন্দরে এই শব্দের নানা ধরনের আপ্যায়ন। তাই ধোঁয়া... আরও পড়ুন

‘এখানে যাও, সেখানে যাও, লাইন লাগাও, লাইন লাগাও’

‘এখানে যাও, সেখানে যাও, লাইন লাগাও, লাইন লাগাও’
শম্ভু সেন তিন মাথার মোড়টা একেবারে শুনশান। রাস্তাঘাটে গাড়িঘোড়া নেই বললেই চলে। দু’-একটা সরকারি বাসের টিকি মাঝেমধ্যে দেখা যাচ্ছে। দোকানপাট প্রায় সব বন্ধ। বন্‌ধের চেহারা। হবে না, আজ যে ভোটের দিন। হ্যাঁ, পঞ্চম দফা তথা ষষ্ঠ দিনের ভোটে আমাদের শিকে ছিঁড়েছে। যাই হোক, ভোটের দফারফা হয়নি। নির্বিঘ্নে ভোটটা দিয়ে ওই তেমাথা মোড়ে। না, না, যা ভাবছেন তা নয়। ভোট দেখতে... আরও পড়ুন

‘দাদা’—বঙ্গ জীবনের অঙ্গ

‘দাদা’—বঙ্গ জীবনের অঙ্গ
হরিদাস পাল ‘দাদা’ শব্দটি বাঙালির বড়ই প্রিয়। ডাকের সঙ্গে সঙ্গে কেমন যেন মধু ঝরে পড়ে। উল্টো দিকের ব্যক্তিটি গলে যায়। ভিড় বাসে জায়গা মিলে যায়। তবে ‘দাদা’ শব্দটি থেকে একটা ‘দা’ সরিয়ে দিলে তা যেন আরও মধুর হয়। আপন হয়। যেমন, মন্টুদা, ঘণ্টুদা, পটলদা ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার যেমন, ফেলুদা। তিনি তো বঙ্গ জীবনের অঙ্গ হয়ে গেছেন। সিন্ডিকেট থেকে খেলার মাঠ... আরও পড়ুন

নির্মাণকারী সংস্থার কর্তা তো বলেই দিলেন, কে ভেঙেছে ফ্লাইওভার

নির্মাণকারী সংস্থার কর্তা তো বলেই দিলেন, কে ভেঙেছে ফ্লাইওভার
শীর্ষ গুপ্ত দু’টো কাজেই ভগবানের স্পর্শ আছে। একটি কাজে পরিষ্কার জানা যায়, কীসের পরশ। সেটি ছিল হাতের পরশ। আর একটি কাজে কিন্তু পরিষ্কার জানা যাচ্ছে না, কোন অঙ্গের সাহায্যে ভগবান কাজটি সমাধা করেছেন। দু’টি কাজের মধ্যে অমিল আরও আছে। একটি কাজ একটি দেশের পক্ষে সৃষ্টি করেছে এক গৌরবময় অধ্যায়। আর একটি কাজ অত্যন্ত লজ্জার, গভীর দুঃখের, মর্মান্তিক। প্রথম কাজটি হল... আরও পড়ুন

‘চলুন, পাটুলি যাবেন তো ?’

‘চলুন, পাটুলি যাবেন তো ?’
শম্ভু সেন ডবল ডেকার বাস শক্তিদাকে (কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়) একেবারে বাড়ির দরজায় পৌঁছে দিয়েছিল। না, আমাদের ক্ষেত্রে অতটা হয়নি। তবে যতটুকু হল, তা-ই বা কম কী ? কলকাতা শহরে সরকারি বাসে এ রকম ঘটনা বিরলতম। একটু খোলসা করে বলা যাক। সে দিন আমরা দু’টি পরিবারের পাঁচ জন পারিবারিক কাজে খড়গপুর গিয়েছিলাম। হাওড়া স্টেশনে ফিরতে ফিরতে রাত পৌনে ৯টা হয়ে গেল।... আরও পড়ুন